=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

৪ মাসে ১২ টন, তীর্থযাত্রীরাই নামিয়ে আনছেন আবর্জনা! কেদারনাথে চালু ‘ক্যারি মি ব্যাক’

অনন্যা সরকার, উত্তরাখণ্ড: ১১,৭৫৫ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত গৌরিকুণ্ড থেকে কেদারনাথ পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটারের এই পদযাত্রা আধ্যাত্মিকতা ও শান্তির টানে আসা অধিকাংশ তীর্থযাত্রীর জন্য জীবনের এক অবিস্মরণীয় যাত্রা হয়ে থাকে। এবার স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে কেদারনাথের শুরু হয়েছে এক অনন্য সেবামূলক উদ্যোগ, যার অংশ হিসেবে হাজার হাজার তীর্থযাত্রী কেদারনাথ থেকে সংগ্রহ করা প্লাস্টিক বর্জ্যের ব্যাগ নিয়ে ফিরছেন। এই কর্মসূচির নাম ‘ক্যারি মি ব্যাক’ (Carry Me Back)। আসুন জেনে নিই এই উদ্যোগটির সম্পর্কে। 

‘ক্যারি মি ব্যাক’ কর্মসূচির সাফল্য 

উত্তরাখণ্ডের স্থানীয় প্রশাসনের ‘ক্যারি মি ব্যাক’ উদ্যোগের অধীনে, প্রায় ৫,০০০ তীর্থযাত্রী স্বেচ্ছায় ১২ টনেরও বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য বহন করে ফিরিয়ে এনেছেন। এই স্থানীয় প্রচেষ্টা, যা প্রথমে তো শুরু হয়েছিল ক্রমবর্ধমান বর্জ্য সমস্যা মোকাবেলার জন্য, তবে এখন এটি একটি বড় প্রচারাভিযানে পরিণত হয়েছে। এই উদ্যোগটি তীর্থস্থানে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার গুরুতর চ্যালেঞ্জের সমাধান করেছে, যেখানে বিপুল সংখ্যক তীর্থযাত্রীর কারণে প্রচুর পরিমাণে বর্জ্য জমা হয়। বর্জ্যকে ঠিকভাবে আলাদা করা, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং এত উচ্চতায় কাজ করার মতো লজিস্টিক অসুবিধাগুলি এই সমস্যা আরও বাড়িয়ে তোলে।

তবে, এই ‘ক্যারি মি ব্যাক’ উদ্যোগটি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে উল্লেখযোগ্য সমর্থন পেয়েছে। এই অভিযানের সময় তামিলনাড়ু, ওড়িশা এবং অন্যান্য দক্ষিণভারতীয় রাজ্যগুলির তীর্থযাত্রীদের সাইকেলে করে ১০ কিলোগ্রাম পর্যন্ত আবর্জনা বহন করতে দেখা গেছে। এমনকি প্রতিবন্ধী মানুষদেরও এই উদ্যোগে সামিল হতে দেখা গেছে। মদন লাল নামের এক ব্যক্তি, যার একটি কাটা ছিল, তিনি পর্যন্ত তাঁর অক্ষত হাত দিয়ে আবর্জনা ভর্তি একটি ব্যাগ গৌরিকুণ্ডে বয়ে নিয়ে যান।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানিদের চেয়ে বেশিদিন বাঁচেন ভারতীয়রা, বলছে WHO-র রিপোর্ট

আবার, গুরুগ্রামে কর্মরত অঙ্কিতা সিং তাঁর দুই বন্ধুর সঙ্গে ৮ কিলোগ্রাম আবর্জনা ফিরিয়ে এনেছেন। তিনি তাঁর এই প্রচার অভিযানে অংশগ্রহণ করার অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিয়েছেন। অঙ্কিতা জানান, যখন তারা গুরুগ্রাম  থেকে রওনা দিয়েছিলেন, তখন তাঁদের পরিকল্পনা অন্যরকম ছিল, এমনকি কেদারনাথ যাওয়ার কথাও ছিল না তাঁদের। কিন্তু শেষমেষ তাঁরা সেখানে পৌঁছান। অঙ্কিতা বিশ্বাস করেন, এই জায়গায় পৌঁছানোটা অলৌকিকের চেয়ে কম কিছু ছিল না। তীর্থযাত্রার সাথে এই মহৎ উদ্যোগের অংশ হতে পেরে তিনি ও তাঁর বন্ধুরা এক স্বর্গীয় আনন্দ লাভ করেছেন বলে জানান।

Leave a Comment