=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

৯১% মানুষই ধর্মবিশ্বাসী নন, ভারতের এই প্রতিবেশী দেশে থাকে সবচেয়ে বেশি নাস্তিক

অনন্যা সরকার, কলকাতা: সারা বিশ্বে একটা দুটো নয়, রয়েছে প্রাচীন, নবীন বহু ধর্ম। সেই ধর্ম মেনে চলা মানুষের সংখ্যাও বিশাল। খ্রিস্টধর্ম, ইসলাম এবং সনাতন – এই তিন ধর্মাবলম্বী মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। কয়েকশো কোটি মানুষ এই তিন ধর্ম অনুসরণ করেন। বর্তমানে খ্রিস্টান, মুসলিম এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রায় প্রতিটি দেশেই বসবাস করেন। বিশ্বাস করা হয়, ধর্ম মানুষকে একটি উন্নত জীবনের দিশা দেখায় ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও পালনকারী ঈশ্বরের সর্ম্পকে জ্ঞান দান করে। তবে এই বিশ্বে ঈশ্বরবিশ্বাসী মানুষের পাশাপাশি রয়েছেন অনেক নাস্তিক (Atheist) মানুষও। তাঁরা এই সবকিছু থেকে নিজেদের দূরে রাখেন, এই বলে যে ঈশ্বর বা কোনও ধর্মে তাঁদের আস্থা নেই (Nonreligious Population)। জানেন কি ভারতবর্ষের পাশেই রয়েছে এমন এক দেশ, যেখানে ৯১% মানুষই নাস্তিক। কী অবাক হচ্ছেন? চলুন তাহলে সেই দেশ ও কেন সেখানকার মানুষ ঈশ্বর বা ধর্মবিশ্বাসী নন, তা জেনে নেওয়া যাক। 

বিশ্বের কোন দেশে নাস্তিকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?

জানলে অবাক হবেন ভারতের প্রতিবেশী দেশ চীনে (China) সবচেয়ে বেশি সংখ্যক নাস্তিক থাকেন। উইন/গ্যালাপ ইন্টারন্যাশনাল (WIN/Gallup International) সহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক স্তরের সমীক্ষা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চীনের জনসংখ্যার প্রায় ৯১% মানুষই নাস্তিক বা কোনও ধর্মাবলম্বী নয়। এদেশের জনসংখ্যার প্রায় ৯% মানুষ বৌদ্ধধর্ম, তাওবাদ, খ্রিস্টধর্ম এবং ইসলাম সহ কোনো না কোনো ধর্ম মেনে চলেন। যদিও এই সংখ্যাগুলো কম মনে হতে পারে, চীন বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল দেশ, তাই বিশ্বাসীর সংখ্যা খুব একটা কমও নয়।

উপলব্ধ রিপোর্ট অনুযায়ী, চীনে নাস্তিক বা ধর্মহীন মানুষের সংখ্যা ৯১ শতাংশ ঠিকই, তবে বিষয়টা সরল নয়। এই সংখ্যার মধ্যে, আনুমানিক ৬৭ থেকে ৬৮ শতাংশ হলেন কট্টর নাস্তিক, অর্থাৎ যারা ধর্ম বা ঈশ্বরের সংজ্ঞাকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। আর বাকিরা কোনো প্রচলিত ধর্মের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করেন না। এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে, কারণ ধর্মহীন হওয়ার অর্থ এই নয় যে সেই ব্যক্তি আধ্যাত্মিক বা সাংস্কৃতিক বিশ্বাসে সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাসী নন। অর্থাৎ, এই ২৩ থেকে ২৪ শতাংশ মানুষরা ঐতিহ্য ও পরম্পরায় বিশ্বাসী হলেও, কোনও ধর্মের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করেন না।

আরও পড়ুন: অভাবের মধ্যে করেন পড়াশোনা, জাতীয় স্তরে সেরা শিক্ষিকার সম্মান পেয়ে নজির গড়লেন সুমন

চীনে কেন বাড়ল নাস্তিকদের সংখ্যা?

চীনের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকেই সেদেশের নাস্তিকতার এই উচ্চ হারের একটি প্রধান কারণ বলে মনে করা হয়। চীনের কমিউনিস্ট পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে নাস্তিকতাবাদকে সমর্থন করে এবং দলের সদস্যদেরও নাস্তিক হতে বাধ্য করে। এছাড়া, চীনের ধর্মীয় পরিবেশ কনফুসিয়ানিজম (Confucianism) এবং তাওবাদের (Taoism) মতো ঐতিহ্যবাহী মতাদর্শ দ্বারাও প্রভাবিত, যা ঈশ্বর উপাসনার থেকেও বেশি নৈতিক জীবনযাপন, সামাজিক দায়িত্ব, প্রকৃতির সাথে ভারসাম্য বজায় রাখা ও পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধার প্রতি জোর দেয়। এ কারণেই দেশটিতে ধর্মপ্রাণ মানুষের সংখ্যা নিম্নগামী।

Leave a Comment