=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

যাদবপুরে ২০ হাজার ‘ভূতুড়ে’ ভোটার! তালিকায় গরমিল নিয়ে তৃণমূল-বিজেপিকে বিঁধল সুজন

Sujan Chakraborty

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মাস পেরোলেই রাজ্যে শুরু হতে চলেছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন। ২০২৬ সালে বাংলা-সহ নির্বাচন আসন্ন পাঁচ রাজ্যের পাশাপাশি আরও গোটা দশেক রাজ্যে চালু হতে পারে SIR। তাই বিজেপি, তৃণমূল এবং সিপিআইএম এর মধ্যে জোড় সংঘাত শুরু হয়েছে। এমতাবস্থায় সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী (Sujan Chakraborty) ভোটার তালিকা নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করলেন। শুধু তাই নয় একাধিক প্রশ্ন তুললেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। দাবি করলেন যাদবপুর এবং সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার ভোটার তালিকায় নানা গরমিল উঠে এসেছে।

মৃত মানুষের নাম রয়েছে ভোটার তালিকায়!

রিপোর্ট অনুযায়ী গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার SIR নিয়ে সিপিআইএম যে সমীক্ষা শুরু করেছিল তাতে দেখা গিয়েছে, যাদবপুরে ৩৪৭টি বুথের প্রতিটিতে গড়ে ৫০ জন মৃত মানুষের নাম রয়েছে ভোটার তালিকায়। সুজন চক্রবর্তীর দাবি, ৩৪৭টি বুথে মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৭৩৫০ জন। এ ছাড়া অনেক স্থানান্তরিত ভোটার রয়েছে। ভুতুড়ে ভোটারও আছে। সব মিলিয়ে যাদবপুরে ভোটার তালিকায় এমন নাম অন্তত ২০ হাজার মত। তৃণমূল নানা কৌশলে ও ভয় দেখিয়ে এই ভোটের বড় অংশ অবৈধ ভাবে ভোট বাক্সে ফেলছে। আর নির্বাচন কমিশন নির্বিকার দর্শকের মতো বসে রয়েছে।” দলীয় তরফে দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, যাদবপুরের ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের ১৪৫ নম্বর পার্টে মোট ভোটার ৯০৭ জন। অথচ, মৃত ৪২ জন। স্থানান্তরিত হয়েছেন ১৯৫ জন। কিন্তু সেই নামগুলি বাদ যায়নি।

তালিকা থেকে নাম বিয়োজনের কাজ নিয়ে ক্ষোভ

এদিন ভোটার তালিকায় একাধিক গরমিল থাকার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। তাঁর অভিযোগ, যাদবপুরে ১০৮ নম্বর বুথে মোট ৮০০ ভোটারের মধ্যে ৪৩ জন মৃত ভোটারের নাম সব নথি-সহ কমিশনে জমা দেওয়া হলেও এক জনের নামও বাদ দেওয়া হয়নি। চলতি বছর মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত এই বিয়োজনের কাজ মোটামুটি ভাবে চললেও জুলাই থেকে তা বন্ধ। বার বার সিইও দফতর এবং দিল্লিতে কমিশনে যোগাযোগ করে সম্প্রতি ফের এই পদ্ধতি চালু হয়েছে।” একই অবস্থা সোনারপুর দক্ষিণেও। সেখানকার ২৫৭, ২১১, ২৫৮ নম্বর বুথের ভোটার তালিকার নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেছেন সুজন। আর এসব ক্ষেত্রে তৃণমূল এবং বিজেপির যে জোরালো কারসাজি আছে তা বুঝতে বাকি নেই কারোর।

আরও পড়ুন: ৪০ কেজি পাঁঠার মাংস, ৭ কেজির কাতলা! একসঙ্গে মদের আসরে তৃণমূল-বিজেপি নেতা

কী বলছেন সুজন চক্রবর্তী?

সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর দাবি, “তৃণমূল চায় ভোটার তালিকায় ভুয়ো নাম থাকুক। সেটা হলে ভোট লুটতে সুবিধা হবে। পাশাপাশি, বিজেপি চাইছে বৈধ ভোটারকে ‘ডি-ভোটার’ করে দিতে। তাই সেক্ষেত্রে দলের তরফে বার বার স্বচ্ছ, ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের জন্য কমিশনের কাছে দাবি জানানো হলেও সাড়া মেলেনি। এই জরুরি কাজটি না-করে মানুষের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এসআইআর-এর জুজু দেখানো হচ্ছে।দল SIR-এ আপত্তি করছে না। কিন্তু সে জন্য সর্বদলীয় কোনো বৈঠক হয়নি। তাই এক্ষেত্রে ভোটের আগে এটা করার উদ্দেশ্য হল গরিব মানুষ ও পরিযায়ী শ্রমিকদের নাস্তানাবুদ করা। যাতে পরে বিজেপি এসে বলতে পারে, তোমাদের রক্ষা করব।” যদিও এই নিয়ে কোন প্রতিক্রিয়া দেখায়নি তৃণমূল এবং বিজেপি।

Leave a Comment