=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

কলকাতার স্কুলে মিড-ডে মিল রান্না করবে ইসকন, পাতে পড়বে কি ডিম? মিলল জবাব

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: কলকাতার স্কুলগুলিতে এবার মিড-ডে মিলের (Mid Day Meal) দায়িত্ব দেওয়া হল ইসকনকে (Iskcon)৷ সোমবার রাজ্য বাজেটে (West Bengal Budget 2026) এমনই ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। আর তার পরই ছড়িয়েছে ধোঁয়াশা। তবে কি স্কুল পড়ুয়ারা দুপুরের পাতে ডিম পাবে না? এই নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। আর এবার সেই প্রশ্নের জবাব মিলল অবশেষে।

ইসকনকে দেওয়া হল মিড-ডে মিলের দায়িত্ব

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল, পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের সময় সামাজিক সুরক্ষা এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়েছিল৷ সরকারী স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিলের জন্য মাথাপিছু বরাদ্দ বেড়ে হয়েছিল ১০ টাকা। শুধু তাই নয়, অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ঘোষণা করেছিলেন যে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ইসকনকে কলকাতার স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিল রান্না করার বরাত দেওয়া হচ্ছে৷ যার ফলে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আগামিদিনে রাজ্যের মিড-ডে মিলের খাবারে ছাত্র ছাত্রীদের ডিম দেওয়া হবে না?

কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?

খবর খুললেই প্রায় সময়ই মিড-ডে মিলের খাবারের মান নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। কখনও টিকটিকি তো কখনও মিড-ডে মিলের খাবারে আরশোলা পড়ে থাকার খবরও সামনে এসেছে ৷ আর সেই নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বলেন, ”শ্যামাপ্রসাদের দেখানো পথেই বাংলা চলবে। স্বামী বিবেকানন্দের ভাবনায় বাংলা চলবে। রামকৃষ্ণ মিশন, গৌড়ীয় মঠ, ভারত সেবাশ্রম, ইসকনের দেখানো পথে পশ্চিমবঙ্গ চলবে। আমরা ইসকনকেই মিড-ডে মিল খাবার সরবরাহ করার জন্য উদ্যোগ নিচ্ছি। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে পুরো কলকাতায় ইসকনেকে খাওয়ানোর দায়িত্ব দেওয়া হবে। ভালো খাবার পাবেন, শুদ্ধ খাবার পাবেন। আপত্তি থাকলে হরে কৃষ্ণ বলবেন না। কেউ আপনাদের জোর করবে না।”

মিড ডে মিলে থাকবে ডিম?

মিড ডে মিলে ডিম দেওয়ার প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সোয়াবিন, পনীর, রাজমায় ডিমের থেকেও বেশি প্রোটিন থাকে ৷ সেই সঙ্গে, আমরা খাঁটি ঘি, তেল ব্যবহার করি ৷ সুতরাং প্রোটিনের সঙ্গে কোনও আপোষ করা হবে না ৷ বাংলার ক্ষেত্রে ভাতটাই আমরা রাখব। রান্নার ক্ষেত্রে আমরা চূড়ান্ত বিশুদ্ধতা ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের প্রতি মনোযোগ দিয়ে থাকি৷ খাবার সিল করেই স্কুলে পাঠানো হবে৷” অর্থাৎ এবার থেকে মিড ডে মিলে ননভেজ এর কোন খাবার থাকবে না। সবটাই হবে ভেজ।

আরও পড়ুন: সব্যসাচীকে সঙ্গে নিয়ে নদিয়ায় রাতভর তল্লাশি, ঘনিষ্ঠর বাড়ি থেকে উদ্ধার ৩.৫ কেজি সোনা

কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমন দাস বলেন, “নন ভেজ নয়। বিভিন্ন ভেজ আইটেম। এখানে রাজমা থেকে শুরু করে সোয়াবিন বিভিন্ন শাক সবজি দেওয়া হবে। প্রোটিন ভিটামিন বাচ্চাদের পছন্দ মতো বিভিন্ন আইটেম হবে।” তিনি আরও বলেন, “ইসকনের ‘অন্নামৃত ফাউন্ডেশন’ এর মাধ্যমে ভারতে ২০০৪ সাল থেকে স্কুলে শিশুদের পুষ্টিকর মিড-ডে মিল সরবরাহ করে। নতুন করে ফাইভ স্টার হোটেলের মতো কিচেন তৈরি করা হবে। নন টাচ কিচেন। সবটাই হবে অটোমেটিক।” অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে বাংলায় সরকার পরিবর্তন হতেই মিড ডে মিলের চিত্র বদলাতে শুরু করেছে।

Leave a Comment