=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বাড়ির অদূরেই প্রকৃতির কোলে ‘ঋজুদার লবঙ্গির জঙ্গল’, বর্ষায় ঘুরে আসুন সাতকোশিয়া

সহেলি মিত্র, কলকাতা: ঘরের কাছেই কত বেড়ানোর জায়গা, অথচ আমরা হন্যে হয়ে খুঁজি বিদেশ বিভুঁইয়ে কোথায় কি আছে। আচ্ছা যদি ধরেও নিই যে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব জেলার উল্লেখযোগ্য জায়গা মোটামুটি দেখা, তাহলে চলুন না, পড়শি কোনো রাজ্যে— বাড়ির কাছেই আরশিনগর, সেথা পড়শি বসত করে। ভ্রমণ মানে শুধু নতুন জায়গা চেনা নয়, নিজেকে উপলদ্ধি করা। শহরের কোলাহল, অফিসের রোজকার কাজ, বসের বকুনি, সংসারের কূটকচালি… এসব ছেড়ে দিন কয়েকের জন্য যদি পাহাড়, জঙ্গল, নদী ঘেরা কোনো প্রান্তরে যাওয়া মানে নিজের শরীর মনকে চাঙ্গা করে নেওয়া, আগামী দিনগুলোর জন্য লড়াই করার বেশ কিছুটা রসদ সংগ্রহ করে রাখা। তেমনই এক জায়গা হল ‘সাতকোশিয়া’ (Satkosia)।

বর্ষায় দু’দিন কাটিয়ে আসুন ‘সাতকোশিয়া’-য়

আমাদের এক প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশায় এমন একটি ঠিকানা রয়েছে যেখানে চোখের সামনেই দেখতে পাবেন সবুজ বনানী, স্বচ্ছ নদীর জলধারা, আকাশছোঁয়া পাহাড়, রংবেরঙের পাখি, প্রজাপতির মেলা। কোথায় ইট কাঠ সিমেন্ট, ধোঁয়ায় মোড়া এই শহুরে জীবন, আর কোথায় প্রকৃতির কোলে অবস্থিত সাতকোশিয়া টাইগার রিজার্ভ ফরেস্ট! নামের মধ্যে টাইগার আছে বটে, তবে বাঘ দেখার সম্ভাবনা নেই। সাতকোশিয়া অবস্থিত ওড়িশায়। ওড়িশা বললেই সবার আগে মাথায় আসে পুরী কিংবা বড়জোর চিল্কা হ্রদের কথা।

এর বাইরেও ওড়িশায় রয়েছে বহু দর্শনীয় স্থান, যার মধ্যে আবার অনেকটাই কম পরিচিত। খরচাপাতি অবশ্য একটা বড় কারণ। পুরীতে যাওয়া যেমন সহজ ও সুলভ, থাকার জায়গাও অঢেল, সাতকোশিয়ায় সেই সুযোগ কিছুটা কম। যেহেতু ওখানে থাকার জায়গা বা হোটেল, রিসর্ট ইত্যাদির সঙ্গে সীমিত, তাই আগেই থেকে ঘর বুক করে রাখা ভালো। ফেসবুকে ভ্রমণের অনেক গ্রুপ রয়েছে, সেখান থেকে পেয়ে যেতে পারেন পছন্দমতো কোনো থাকার জায়গা। নাহলে রয়েছে গুগল। গুগল গিয়ে সার্চ করলেও আপনি পেয়ে যাবেন সাতকোশিয়ায় অবস্থিত বিভিন্ন হোটেল বা রিসর্টের সন্ধান। ভাড়া, হোটেলের লোকেশন, রেটিং ইত্যাদি দেখে যোগাযোগ করতে পরপারবেন হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। রিসর্ট বা হোমস্টেতে থাকলে সেখানে খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা কেমন কী আছে সেটাও জেনে নেবেন। তাছাড়া গাড়ি ভাড়া, মোটামুটি ঘোরার জন্য খরচপাতি কেমন হতে পারে সেসব হোটেলে বা যদি কোনো ট্যুর অপারেটরের সঙ্গে যাওয়া পরিকল্পনা করেন, তাহলে ভালো করে আগে জেনে নেওয়া জরুরী।

যারা বই পড়েন, বিশেষত সাহিত্য, তারা সাতকোশিয়া নামের সঙ্গে পূর্বপরিচিত। সৌজন্যে বুদ্ধদেব গুহ। ঋজুদার মাধ্যমে তিনি পাঠককুলের কাছে বহু বছর আগেই বইয়ের মলাটে ফুটিয়ে তুলেছিলেন এই অরণ্য নদী পাহাড়ের দেশের বর্ণনা— বিখ্যাত সেই লবঙ্গির জঙ্গল।

কীভাবে যাবেন?

হাওড়া থেকে সাতকোশিয়া যাওয়ার জন্য আপনাকে ধরতে হবে ওড়িশাগামী ট্রেন। অঙ্গুল নামের স্টেশনে নামলে সবথেকে ভালো, কারণ এখান থেকে সাতকোশিয়া যাওয়ার দূরত্ব তুলনামুলক কম। অনেকে ভুবনেশ্বর বা কটক হয়েও যাওয়ার পরামর্শ দিতে পারেন, তবে খরচ কিছুটা কমতে চাইলে নামুন অঙ্গুল স্টেশনে। স্টেশনে নেমে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যান হোটেল বা রিসর্টে।

Leave a Comment