ইনস্টাগ্রামে প্রেম! স্বামী, দুই সন্তান ও চাকরি ছেড়ে ১৮-র যুবকের সঙ্গে পালাল ঝাড়গ্রামের গৃহবধূ

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আজব ঘটনা ঘটল কেশিয়াড়িতে (Keshiary), গভীর প্রেমের (Extra Marital Affair) টানে স্বামী, সন্তান এবং চাকরি ছেড়ে ১৮ বছরের যুবকের সাথে পালিয়ে গেল এক ৩০ বছর বয়সী গৃহবধূ। আজব এই প্রেমের গল্প প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়েছে এলাকায়। জানা গিয়েছে ইনস্টাগ্রাম (Instagram) সূত্রেই শুরু হয়েছিল প্রেমের সূত্রপাত। দীর্ঘদিন মহিলা নিখোঁজ থাকায় পুলিশের দ্বারস্থ হয় স্বামী, অবশেষে সোমবার কেশিয়াড়ি থানার পুলিশের সহযোগিতায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়েছে।

ঠিক কী ঘটেছিল?

রিপোর্ট অনুযায়ী, ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম এলাকার বাসিন্দা ওই গৃহবধূর বয়স প্রায় ৩০ বছর। তিনি নয়াগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে আশা কর্মী হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে একসঙ্গেই থাকতেন। কিন্তু সেই সুখের সংসারে ফাটল ধরালো বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক। জানা গিয়েছে, ইনস্টাগ্রামে এক ১৮ বছর বয়সী যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার ৩০ বছরের ওই মহিলার। মাত্র ৪ মাসেই সেই সম্পর্ক অন্যদিকে মোড় নেয়, আর সেই প্রেমের টানে স্বামী সংসার ছেড়ে ওই যুবকের সঙ্গে জেলা বদল করলেন মহিলা।

কেশিয়াড়ি থেকে খোঁজ মেলে ওই মহিলার

জানা গিয়েছে ১ সেপ্টেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিলেন ওই মহিলা। শেষে স্ত্রীর খোঁজে দুই বাচ্চাকে নিয়ে নয়াগ্রাম থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন স্বামী। এরপর পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করে। শেষে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, ওই গৃহবধূ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ি থানা এলাকার এক যুবকের সঙ্গে রয়েছেন। আর ওই যুবকের সঙ্গে থাকতে মহিলা ঝাড়গ্রাম থেকে কেশিয়াড়িতে চলে এসেছিলেন। অবশেষে সোমবার কেশিয়াড়ি থানার পুলিশের সহযোগিতায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয় এবং পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর আর্জিতে সাড়া, ১ লক্ষ টাকা অনুদান না নেওয়ার ঘোষণা একাধিক পুজো কমিটির

স্বামী-সন্তান, নিজের কর্মজীবন সবকিছু ছেড়ে এভাবে অন্য যুবকের হাত ধরে চলে যাওয়ায় রীতিমত এলাকায় নানা ছি চিৎকার পড়ে যায়। যদিও ওই মহিলার পরিবারের তরফে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এদিকে গত মাসে দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর এলাকায় স্ত্রীর একাধিক যুবকের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ঝামেলার মাঝেই ঘর থেকে স্বামীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। পরিবারের অভিযোগ ছিল মোবাইলে পাবজি গেম খেলতে খেলতে দু’জনের আলাপ হয়। কিছুদিনের মধ্যে সেই আলাপ গড়ায় প্রেমে। এ নিয়ে মাঝেমধ্যেই দু’জনের মধ্যে অশান্তি হত। পরিবারের দাবি, স্ত্রীই খুন করেছে স্বামীকে, যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত।

Leave a Comment