=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হচ্ছে? রায়াদান স্থগিত হাইকোর্টের

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নন্দীগ্রামের (Nandigram Bypoll) বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের হলফনামা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক! সম্প্রতি তা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা দায়ের করেছিল কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই সেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে এই মামলার শুনানি শেষ হতেই নতুন করে তৈরি হয়েছে জল্পনা। কারণ খোদ উচ্চ আদালত এই মামলার রায়দান স্থগিত রেখেছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি বাতিল হবে বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন?

বাতিল হয়ে যাবে বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন?

এবারের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের ঠিক দুদিন আগে মধ্যমগ্রামে খুন হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। সেই চন্দ্রনাথের মা হাসিরানিকেই নন্দীগ্রাম থেকে উপনির্বাচনের প্রার্থী করেছে বিজেপি। সেই মতোই, নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনকে নিজের হলফনামা জমা দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী। আর সেই হলফনামায় দেখানো মাধ্যমিকের শংসাপত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস।

কংগ্রেসের অভিযোগ, উপনির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের কাছে বিজেপি প্রার্থী নিজের যে শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য দিয়েছেন সেখানে মাধ্যমিকের শংসাপত্রে 1965 সালের উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ ওই বছরেই মাধ্যমিক পাস করেছেন তিনি। এদিকে প্রার্থী নিজে জানিয়েছেন তাঁর বয়স 60 বছর। সেই হিসেব ধরলে 1966 সালে জন্মগ্রহণ করেছেন তিনি। তাহলে জন্মের আগে কীভাবে তিনি মাধ্যমিক পাস।করে ফেললেন এ নিয়েই বিজেপিকে নিশানা করেছে হাত শিবির। কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছে মামলা।

বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। তাঁদের দাবি, হয় তিনি নিজের বয়স নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন অথবা বিজেপি প্রার্থীর মাধ্যমিক পাসের শংসাপত্রটি জাল। এর মধ্যে দুটি একসঙ্গে সঠিক হতেই পারে না। এমন দাবিতেই দ্রুত ওই বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করার আবেদন জানিয়েছে জাতীয় কংগ্রেস। এদিকে কমিশনের আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, একজন প্রার্থী যখন হলফনামা জমা দেন তখন সেই তথ্য স্ক্রুটিনি করে দেখেন রিটার্নিং অফিসার। সেই সময় যদি কেউ আপত্তি তোলে তবে তা বৈধ। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর প্রশ্ন তুললে তা গ্রহণযোগ্য নয়।

আরও পড়ুন: সমুদ্রের বুক চিরে তৈরি হবে ৬০ কিমি প্রাচীর, রাস্তা, রেল করিডোর! বিরাট প্ল্যান ভারতের

কমিশনের তরফে আইনজীবী এও বলেন, জনস্বার্থ মামলা দায়ের হলে সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলা সম্ভব। কিন্তু প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেওয়ার পরেও যেহেতু কোনও আপত্তি আসেনি তাই মাধ্যমিকের শংসাপত্র জাল কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁর আবেদন বাতিল করে দেওয়ার মতো শক্তপোক্ত কারণ নেই। সবচেয়ে বড় কথা এই আপত্তি বা অভিযোগ এসেছে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পর। বিজেপি প্রার্থীর আইনজীবীও জানিয়েছেন, হলফনামা জমা দেওয়ার সময় কেউ কোনও আপত্তি জানায়নি তাই আদালতও এখন প্রার্থীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে পারবে না। সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনার পর মামলাটিতে রায়দান আপাতত স্থগিত রেখেছে কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চ।

Leave a Comment