=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ছাগল বিক্রি করে জুতো কিনে দেন বাবা, সেই সীমাই এশিয়াডে ভারতের হয়ে জিতলেন পদক

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এশিয়ান গেমসে (Asian Games) ক্ষমতা দেখাচ্ছেন ভারতীয় প্রতিযোগীরা। ইতিমধ্যেই দেশের ঘরে উঠেছে তিনটি সোনার পদক। সর্বসাকুল্যে মোট 27টি পদক এসেছে ভারতের ঝুলিতে। এখনও পথচলা অনেকটাই বাকি। দেশের হাতে আসা 27টি পদকের মধ্যে রয়েছে সীমা কুমারীর (Seema Kumari) একটি ব্রোঞ্জের পদকও। গত বৃহস্পতিবার, 32 মিনিট 50.05 সেকেন্ডে নিজের দৌড় সম্পূর্ণ করে তিন নম্বরে যাত্রা শেষ করেন সীমা। তাতেই এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জের পদক নিশ্চিত করে ফেলেন ভারতীয় অ্যাথলিট। তবে সীমার এই সাফল্যের পেছনে বড় অবদান রয়েছে তাঁর বাবার। অভাবের সংসারে মেয়ের জুতো কেনার জন্য একসময় নিজের বাড়ির ছাগল বিক্রি করতে হয়েছিল তাঁকে।

ছাগল বিক্রি করে মেয়েকে জুতো কিনে দিয়েছিলেন সীমার বাবা

এশিয়ান গেমসে 10,000 মিটার দৌড়ে ব্রোঞ্জ জিতেছেন ভারতের মেয়ে। 5,000 মিটারের দৌড়েও নিজের জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, হিমাচল প্রদেশের বাসিন্দা সীমার মা জানতেনই না তাঁর মেয়ে জাপানে এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে যাচ্ছে। জানা যায়, এশিয়াডে খেলতে যাওয়ার কথা শুনলে মা অতিরিক্ত চিন্তা করবেন বলেই তাঁকে এ নিয়ে প্রথমে কিছুই জানাননি সীমা। তবে এশিয়ান গেমসের মঞ্চে মেয়ের সাফল্যের খবর পেতেই উচ্ছ্বসিত তিনি।

2001 সালের 10 জানুয়ারি হিমাচল প্রদেশে জন্ম হয় সীমার। অবাক লাগলেও বাবার বিক্রি করা ছাগলের টাকাতেই জুতো জুটে ছিল সীমার পায়ে। রেট্টা গ্রামের বাসিন্দা সীমার বাবা ছিলেন একজন শ্রমিক। প্রতিদিন শ্রমের বিনিময়ে যেটুকু যা আয় হতো তা দিয়েই চলতো বড় সংসার। ফলে একেবারে শিশুকাল থেকেই অভাবের সাথে জীবনযাপন করতে হয়েছিল ভারতীয় অ্যাথলিটকে। জানা গিয়েছে, একটা সময় টাকার অভাবে দৌঁড়ের জুতো কিনতে পারছিলেন না সীমা। মেয়ের সমস্যার কথা ভেবে শেষ পর্যন্ত বাড়ির একটি ছাগল বিক্রি করে দেন তাঁর বাবা। সেটা বিক্রি করে যা পেয়েছিলেন তা দিয়েই মেয়েকে জুতো কিনে দিয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: ভারতীয় সেনাবাহিনীর বড় ‘দুর্বলতা’ ধরে ফেলল পাকিস্তান!

জানা গিয়েছে, 2012 সালে সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছিল সীমার বাবার। জন্মদাতার মৃত্যুতে একেবারে ভেঙে পড়েছিল মেয়ে। ভেসে যেতে পারতো গোটা পরিবার। তবে নিজের হাতে পরিবারের হাল শক্ত করে ধরেছিলেন সীমার মা। বাবা চলে গেলেও মেয়ে যাতে দৌড় থেকে সরে না আসে সেজন্য সবসময় সীমাকে বোঝাতেন তিনি। মায়ের কথা চিন্তা করেই নিজের স্বপ্নের পথে একটু একটু করে এক একটা পদক্ষেপ নিচ্ছিলেন হিমাচলের মেয়ে। 2015 সালে ধর্মশালায় স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার জন্য পরার মতো ভাল জুতো ছিল না সীমার। সেবারও বাড়ির একটি ছাগল বিক্রি করে দিদিকে জুতো কিনতে সাহায্য করেছিলেন ভাইয়েরা। নুন আনতে পান্তা ফুরোনো সেই সংসার থেকে এশিয়ান গেমসে পা রেখে দেশের জন্য পদক জিতলেন সীমা। যা আদতেই গর্ব হওয়ার মতো বিষয়।

Leave a Comment