=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ভোল পাল্টাবে ১০৯ বছরের পুরনো ডানকুনি স্টেশনের, অমৃত ভারত স্টেশন স্কিমের অধীনে বরাদ্দ ১৮.৬৬ কোটি

অনন্যা সরকার, হুগলি: ভারতের রেল মন্ত্রক অমৃত ভারত স্টেশন স্কিম (ABSS)-এর অধীনে পশ্চিমবঙ্গের ১০৯ বছরের পুরোনো ডানকুনি রেল স্টেশনটির (Dankuni Station) আধুনিকীকরণ করতে চলেছে। হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইনে অবস্থিত এই স্টেশনটি পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনের (Howrah Division) এখতিয়ারভুক্ত। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে চালু হওয়া অমৃত ভারত স্টেশন স্কিমের লক্ষ্য হল ভারতীয় রেল (Indian Railways) নেটওয়ার্কের স্টেশনগুলিকে উন্নত ও আধুনিক করে তোলা। এবার হুগলির প্রাচীন এই রেল স্টেশনটিকে নতুন রূপে সাজিয়ে তোলা হবে। কী কী পরিবর্তন আসবে আসুন জেনে নেওয়া যাক। 

ডানকুনি রেল স্টেশনের আধুনিকীকরণ 

ডানকুনি কলকাতা মহানগরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর রেল স্টেশন। ১৯১৭ সালে নির্মিত এই এসজি-৩ ক্যাটাগরির স্টেশনটিতে প্রতিদিন গড়ে ৩০ হাজারেরও বেশি যাত্রীর যাতায়াত করেন। হাওড়া ও শিয়ালদহ – দুই গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত হওয়ায় ডানকুনি এই অঞ্চলের একটি প্রধান রেল কেন্দ্র এবং দেশের দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি থেকে আসা-যাওয়ার পথে মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেনগুলোর জন্য একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী স্টপেজ হিসেবে কাজ করে। এই স্টেশনে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে যাত্রীর সংখ্যা বাড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে, তাই স্টেশনটি আঞ্চলিক রেল সংযোগের ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে চলেছে। 

আনুমানিক ১৮.৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ডানকুনি রেল স্টেশনের পুনর্নির্মাণ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রেল মন্ত্রক। জোনাল রেলওয়ে জানিয়েছেন, প্রধান স্টেশনের বিল্ডিংয়ের নীচের তলা, সামনের অংশের সংস্কার এবং বারান্দার নির্মাণ সহ বেশ কিছু কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। যাত্রী চলাচল করার জায়গা ও পার্কিং এরিয়া, শেড ও প্ল্যাটফর্মের মেঝের সংস্কারও সম্পন্ন হয়েছে। স্টেশনটিতে উন্নত আলো এবং নতুন ট্রেন ইনফো ও জিপিএস ঘড়ি লাগানোর কাজও হয়েছে। এর পাশাপাশি, ২৭.১৮ টাকা মূল্যের একটি ডানকুনি ইয়ার্ড পুনর্গঠন প্রকল্পের কাজ চলছে এবং একই সাথে প্রস্তাবিত ডানকুনি কোচিং টার্মিনালের ডিপিআর (DPR) প্রস্তুত করা হচ্ছে। এছাড়াও, একটি পৃথক ৪২৮ টাকা মূল্যের ডানকুনি-বালটিকুরি তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন প্রকল্পও রেল মন্ত্রকের অনুমোদন পেয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজ্যে প্রায় ১০ কোটি মানুষের ABHA অ্যাকাউন্ট তৈরি, বড় মাইলফক অর্জন সরকারের

উল্লেখ্য, প্রস্তাবিত মালবাহী ট্রেনের সংযোগকারী প্রকল্পগুলির ফলে ডানকুনির গুরুত্ব আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন গুজরাটের সুরাট ও ডানকুনিকে সংযুক্ত করে একটি নতুন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডোর (DFC) নির্মাণের প্রস্তাব করেছিলেন। প্রস্তাবিত এই করিডোরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মালবাহী ও লজিস্টিকস কেন্দ্র হিসেবে ডানকুনির ভূমিকাকে আরও শক্তিশালী করতে চলেছে, যা স্টেশন এবং এর পার্শ্ববর্তী শিল্পাঞ্চলের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলবে।

Leave a Comment