=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

এই কাজ করলেই আলু চাষীরা পাবেন আর্থিক সাহায্য, ঘোষণা সরকারের

অনন্যা সরকার, কলকাতা: এবার আলুর (Potato) পরিবহন খরচে রাশ টানতে রাজ্য সরকার নিল নয়া উদ্যোগ। পশ্চিমবঙ্গ সরকার কোল্ড স্টোরেজে রাখা আলু রেলপথে অন্যান্য রাজ্যে পাঠানোর জন্য কুইন্টাল প্রতি ১০০ টাকা পরিবহন ভর্তুকি (Transportation Subsidy) দেবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। কৃষি বিপণন বিভাগ তাদের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত রপ্তানি করা মোট ৩ লক্ষ টন আলুর জন্য এই আর্থিক ভর্তুকি দেওয়া হবে। 

আলু রপ্তানির জন্য পরিবহনে ভর্তুকি রাজ্যের

এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে সরকার জানিয়েছে যে, রাজ্যের নিজস্ব চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি আলু কোল্ড স্টোরেজে মজুত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কৃষকদের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। বিপুল পরিমাণে আলু মজুত হয়ে যাওয়ার কারণে কৃষকরা ও যারা কোল্ড স্টোরেজে আলু রেখেছেন, তারা ভালো দাম পাচ্ছেন না। 

আলু ব্যবসায়ীদের সংগঠন সূত্রে জানা যাচ্ছে, জ্যোতি আলুর ৫০ কেজির বস্তা ১৫০ টাকারও কম দামে বিক্রি হচ্ছে। কোল্ড স্টোরেজের ভাড়া ও অন্যান্য খরচ মেটানোর পর প্রতি কেজি আলুতে মাত্র ৭-৮ টাকা দাম পাওয়া যাচ্ছে। এই কারণে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি সম্মুখীন হতে হচ্ছে। রাজ্যের কোল্ড স্টোরেজগুলোতে প্রায় ৪০ লক্ষ টন আলু পড়ে রয়েছে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, বর্তমান হারে আলু উত্তোলন করা হলে আগামী তিন মাসে বাজারের চাহিদা মেটানোর পর এবং পরবর্তী চাষের মরশুমের জন্য মজুত রেখেও প্রায় ১০ লক্ষ টন আলু উদ্বৃত্ত হবে। 

আরও পড়ুন : রিপোর্টের জন্য হাসপাতালে ছোটা বন্ধ, SMS-এই মিলবে ফল, বিরাট আপডেট স্বাস্থ্য দফতরের

তাই এখন সরকারি ভর্তুকির মাধ্যমে কম খরচে অন্যান্য রাজ্যে অধিক পরিমাণে আলু পরিবহনের সুযোগ তৈরি হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীরা এও জানাচ্ছেন যে, রেলের রেক ব্যবহারে নানা বিধিনিষেধ থাকায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে আলু মূলত ট্রাকের মাধ্যমেই অন্যান্য রাজ্যে পরিবহন করা হয়। তাই ট্রাকে করে আলু রপ্তানির ক্ষেত্রেও এই ভর্তুকি মিললে, কৃষকরা আরও বেশি উপকৃত হতেন। 

Leave a Comment