=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

নিরক্ষর মা আবর্জনা কুড়িয়ে পড়িয়েছেন সন্তানকে, UPSC ক্র্যাক করে ছেলে আজ IFoS অফিসার

অনন্যা সরকার, ছত্তিশগড়: কথায় বলে, সন্তানের জন্য মা সব করতে পারেন। তবে, এটা শুধু কথার কথা নয় প্রকৃত অর্থেই প্রতিটি মানুষের জীবনে মায়ের অবদান অপরিসীম। বিপদ আপদ, দুঃসময়ে মাথার ওপর ছাতা হয়ে দাঁড়ান মা। জীবনে চলার পথে পথনির্দেশকও তিনি। ঠিক যেমনটা ঘটেছে গৌতম পাড়িভারের জীবনেও (UPSC Success Story of Gautam Padibhar)। আর্থিক অনটনের মধ্যে বেড়ে ওঠা থেকে ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস (IFoS) অবধি গৌতম পাড়িভারের এই যাত্রার পেছনে রয়েছে তাঁর মায়ের সন্তানদের শিক্ষিত করে তোলার দৃঢ় সংকল্প। বাবার অকাল প্রয়াণের পর তাঁর মা, সাখুবাই পাড়িভার দিনমজুর হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে চলে যান মুম্বাই, সেখানে তিনি পরিবারের ভরণপোষণের জন্য বেশ কয়েক বছর ধরে আবর্জনা কুড়ানোর কাজ করতেন। এভাবেই চালিয়েছেন ছেলের পড়াশোনার খরচ। ইউপিএসসি পরীক্ষায় পাস করে আজ গৌতম পাড়িভার একজন সফল সরকারি কর্মকর্তা। আসুন তাঁর ও তাঁর মায়ের এই সাফল্যের কাহিনীটি জেনে নেওয়া যাক। 

নিরক্ষর মায়ের সন্তানকে শিক্ষিত করার লড়াই

সাখুবাই নিজে কখনও স্কুলের গণ্ডি পেরোননি, কিন্তু সন্তানদের সুশিক্ষিত করে তোলার ব্যাপারে তিনি ছিলেন অটল। চরম আর্থিক অনটন, অসুস্থতা এবং একটি দুর্ঘটনার শিকার হয়েও, তিনি সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। গৌতম মহারাষ্ট্রের জালনার জওহর নবোদয় বিদ্যালয়ে তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। এরপর পর তিনি জেইই (JEE) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বি.টেক ডিগ্রির জন্য আইআইটি মাদ্রাজে ভর্তি হন। কোনো নামীদামী কোচিংয়ের সাহায্য ছাড়াই তিনি আইআইটি মাদ্রাজের মতো মর্যাদাসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুযোগ পেয়েছিলেন। 

গৌতম একবাক্যে স্বীকার করেন, তাঁর এই সাফল্যের পেছনে তাঁর মায়ের সবথেকে বড় ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ হওয়া সত্ত্বেও তিনি কখনও তাঁর পড়াশোনার পথে আর্থিক অসুবিধাকে বাধা হতে দেননি। ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি শেষ করার পর গৌতম সিভিল সার্ভিসে যোগদানের স্বপ্ন দেখেন। তিনি ২০২২ সালের ইউপিএসসি ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস পরীক্ষায় সর্বভারতীয় র‍্যাঙ্ক ১৩৯ (AIR) অর্জন করেন। তারপর ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিসের ২০২৩ সালের ব্যাচে নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুন: ছোটবেলা থেকেই দৃষ্টিশক্তি ক্ষীন, তবুও না হেরে দু’বার UPSC ক্র্যাক অটোচালকের ছেলের

ছত্তিশগড় ক্যাডারে নিযুক্ত হন গৌতম পাড়িভার এবং বর্তমানে তিনি ছত্তিশগড়ের জগদলপুরে অবস্থিত কাঙ্গের ভ্যালি ন্যাশনাল পার্কের পরিচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। সম্প্রতি তিনি তাঁর মাকে অফিসে আসেন, যা তাঁর জীবনের একটি চিরস্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে ওঠে। গৌতম সাখুবাইকে তাঁর নিজের চেয়ারে বসান এবং সেই মুহূর্তের একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। ওই মুহূর্তটা তাকে মনে করিয়ে দেয় সেই দিনগুলোর কথা, যখন তাঁর মা সংসার ও লেখাপড়ার খরচ জোগাতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কখনও দিনমজুর, আবার কখনও আবর্জনা কুড়ানির কাজ করেছেন। একটি আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবার থেকে উঠে এসে আইআইটি মাদ্রাজ ও ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস পর্যন্ত পৌঁছানো একেবারেই সহজ ছিল না। কিন্তু নিজের মেধা, অধ্যবসায় এবং মায়ের সমর্থন গৌতম পাড়িভারকে এই সাফল্য এনে দিয়েছে।

Leave a Comment