=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

দিঘা-মন্দারমণি যাওয়া হবে আরও সুন্দর, কোলাঘাট-হলদিয়া পথে তৈরি হবে ৫২ কিমি গ্রিন করিডোর

সহেলি মিত্র, কলকাতা: ভ্রমণপিপাসুদের জন্য দারুণ সুখবর। এবার পূর্ব মেদিনীপুরে কোলাঘাট থেকে হলদিয়া (Kolaghat Haldia Green Corridor) পর্যন্ত ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ নদীতীরবর্তী সড়ককে ‘গ্রিন করিডোর’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হল সরকারের তরফে। জেলা পরিষদের পরিকল্পনায় রাস্তার দু’ধারে দেশীয় ছায়াদার গাছ ও ফুলের গাছ লাগানো হবে। পাশাপাশি পর্যটক ও স্থানীয়দের জন্য তৈরি হবে বিশ্রামাগার, ক্যাফেটেরিয়া ও ভিউ-পয়েন্ট। রাতের আলোর জন্য থাকবে পরিবেশবান্ধব সোলার স্ট্রিট লাইট। শিল্পাঞ্চল ও প্রকৃতির মেলবন্ধনে এই করিডোরকে নতুন পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।

কোলাঘাট থেকে হলদিয়া ৫২ কিমি ‘গ্রিন করিডোর’

মহিষাদলে বারবার নদীর পাড় ভাঙার ফলে উদ্বিগ্ন মানুষ। বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত হন মহিষাদলের মানুষজন। তার ওপর নিম্নচাপ হলে সকলের উদ্বেগ আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এই নদীভাঙন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই কোলাঘাট থেকে হলদিয়া পর্যন্ত ৫২ কিলোমিটার গ্রিন করিডোর গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে প্রশাসনের তরফে। অনুমান করা হচ্ছে, এই গ্রিন করিডোর তৈরি হলে এটি শুধু যাতায়াতের পথ নয়, দক্ষিণবঙ্গের পর্যটনে নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে।

বিশেষ করে দিঘা, মন্দারমণি বা তাজপুরগামী পর্যটকরা জাতীয় সড়কের বদলে নদীর পাড় ধরে মনোরমভাবে গাড়ি চালানোর সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি নদীতীরবর্তী এলাকায় হস্তশিল্প, হোমস্টে ও রেস্তোরাঁ ব্যবসার প্রসার ঘটলে স্থানীয় পর্যটন অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে।

কী কী সুবিধা থাকবে?

সড়ক যোগাযোগ আরও উন্নত করার পাশাপাশি যাত্রীদের নিরাপত্তায় পুরো রুটে আধুনিক ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট ও CCTV নজরদারি থাকবে। দূষণ কমিয়ে দ্রুত ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করাই এই গ্রিন করিডোরের লক্ষ্য। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে শিল্প ও পর্যটনের প্রসারের একটি নতুন মডেল হয়ে উঠতে পারে এই প্রকল্প।

Leave a Comment