=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

রাতের অন্ধকারে ধ্বংস বিঘার পর বিঘা জমি! কাদের আক্রমণ তাহেরপুরে?

অনন্যা সরকার, নদিয়া: পুজোর আগে মাথায় হাত তাহেরপুরের কৃষকদের। নষ্ট হয়ে গেছে বিস্তীর্ণ জমির ফসল। নদিয়া জেলার তাহেরপুর (Taherpur) থানার অন্তর্গত আনন্দনগর ও সংলগ্ন কৃষ্ণমণ্ডল এলাকার স্থানীয় কৃষকেরা বুনো শূকরের (Wild boars) তাণ্ডবে চরম দুর্দশার শিকার হয়েছেন। রাতের আঁধারে গভীর জঙ্গল থেকে নেমে আসা শূকরের পাল কয়েক মুহূর্তের মধ্যে বিঘা বিঘা জমির ফসল ধ্বংস করে দিচ্ছে। এর ফলে ওই অঞ্চলের কৃষকেরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অনেক কষ্টে ফলানো ধান, সবজি ও ফুলের খেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

বুনো শূকরের তাণ্ডবে জেরবার চাষীরা 

স্থানীয় এক কৃষক দুর্দশার কথা ব্যাখ্যা করেন বলেন, এক পাল বুনো শূকর আনন্দনগর এলাকার ধান, বেগুন, লেবু এবং ফুলের খেত ধ্বংস করে দিচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন যে, ৩০ থেকে ৫০টি বুনো শূকর সল বেঁধে মাঠে ঢুকে মাটি খুঁড়ছে, গাছপালা উপড়ে ফেলছে। তারা বেগুন ও লেবু গাছের গোড়া ছিঁড়ে ফেলছে, এমনকি কচি কাঁঠাল গাছ ও রজনীগন্ধার ক্ষেতও নষ্ট করছে। ফসল রক্ষা করার জন্য জাল ব্যবহার করেও কোনো লাভ হচ্ছে না, কারণ বুনো শূকরগুলো জাল ছিঁড়ে ভেতরে ঢুকে পড়ছে। সারারাত জেগে পাহারা দিতে দিতে কৃষকরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে, এখন আর মাঠে কাস্তে চালানোও সম্ভব হচ্ছে না। তিনি এ নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন যে, বন বিভাগকে জানানোর পরেও বুনো শূকর তাড়ানোর জন্য তাদের ওই এলাকায় প্রবেশ করতে নিষেধ করা হয়েছে।

ওই এলাকার আরেক চাষীর দাবি, গত দেড় বছর ধরে বুনো শূকরের উপদ্রব প্রচণ্ডভাবে বেড়েছে। তিনি এও উল্লেখ করেন যে, ক্ষেতের ধান পাকার সময়েই শূকরের পাল সবচেয়ে মারাত্মক আক্রমণ চালায় এবং গাছপালা চিবিয়ে ও খেয়ে ফসল নষ্ট করে দেয়। বন বিভাগকে বিষয়টি জানানো হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি, বরং কৃষকদের নিজেদেরই পরিস্থিতি সামাল দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু এত বিশাল পালের মোকাবিলা করা একজন ব্যক্তির পক্ষে একেবারেই অসম্ভব।

আরও পড়ুন: কীর্তির বদলে কাকলি, বাদ দোলা! নিয়োগে আপত্তি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের 

অধিকাংশ চাষীকেই ধারদেনা করে ফসল ফলাতে হয়, তার সাথে রয়েছে হাড়ভাঙা পরিশ্রম। তাই স্থানীয় কৃষকদের আশঙ্কা, কঠোর পরিশ্রমে ফলানো ফসল হারিয়ে এখন তাঁদের ও তাঁদের পরিবারকে হয়তো অনাহারে দিন কাটাতে হবে। তাঁরা জোরালো দাবি জানিয়েছেন যে, প্রশাসন ও বন বিভাগ যেন অবিলম্বে ওই এলাকায় নজরদারি বাড়ায় এবং বুনো শূকরের দলকে আটকাতে দ্রুত ও স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেয়। এর পাশাপাশি, স্থানীয় গ্রামবাসীরাও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য যথাযথ সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে।

Leave a Comment