=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

পূর্ব ভারতের রাজ্য তবু নাম ‘পশ্চিম’বঙ্গ, কীভাবে জুড়ল এই উপসর্গ? জানুন ইতিহাস

অনন্যা সরকার, কলকাতা: সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের নাম নিয়ে আবারও চর্চা শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ইংরেজি নাম ওয়েস্ট বেঙ্গল (West Bengal) না লিখে, তার পরিবর্তে ইংরেজি হরফেই ‘পশ্চিমবঙ্গ’ (Paschim Banga) লেখার প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। ভারতের রাজ্যগুলির নামের সাথে জড়িয়ে আছে অনেক আকর্ষণীয় ইতিহাস। ফলে পশ্চিমবঙ্গের নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত সাম্প্রতিক আলোচনা ইতিহাস এবং সাধারণ জ্ঞান উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই তাৎপর্যপূর্ণ। ‘বঙ্গ’ বা ‘বাংলা’ নামটি প্রাচীন, তবে ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর এর সাথে ‘পশ্চিম’ উপসর্গটি জুড়ে যায়।

পূর্ব ভারতে অবস্থিত তবু নাম পশ্চিমবঙ্গ

পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস ব্রিটিশ শাসনেরও পূর্ববর্তী। ভারত সরকারের জাতীয় পোর্টাল- india.gov.in এবং censusindia.gov.in-এ উপলব্ধ তথ্য অনুসারে, ‘বেঙ্গল’ বা ‘বাংলা’ নামটি প্রাচীন ‘বঙ্গ’ বা ‘ভাঙ্গা’ রাজ্য থেকে উদ্ভূত হয়েছে বলে মনে করা হয়। প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যেও ‘বঙ্গ’ শব্দের উল্লেখ পাওয়া যায়। এই অঞ্চলে প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ এবং প্রস্তর যুগের সরঞ্জামের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে, যা এর দীর্ঘ ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে। তবে, আধুনিক ‘পশ্চিমবঙ্গ’ নামটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় উদ্ভূত হয়েছিল।

ব্রিটিশ শাসনকালে বাংলা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চল ছিল। ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার যখন বঙ্গভঙ্গ করে, তখন ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয় এবং স্বদেশী আন্দোলন গতি পায়। ক্রমবর্ধমান জনরোষের মুখে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রস্তাব বাতিল করে তৎকালীন ইংরেজ সরকার। ১৯০৫ সালের বিভাজন ব্রিটিশ শাসনামলের একটি ঘটনা হলেও, শেষমেশ ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার সময়ে সত্যি করেই বঙ্গভঙ্গের সম্মুখীন হতে হয় বাংলার মানুষকে।

আরও পড়ুন: মেট্রোর জন্য হারিয়েছিলেন ঘর, সাত বছর পর বাড়ি ফিরে পাচ্ছেন বৌবাজারের বাস্তুহারারা

১৯৪৭ সালের ৩ জুন ব্রিটিশ সরকার মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা ঘোষণা করে। পরবর্তীকালে, ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্যরা এই প্রদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সরকারি ঐতিহাসিক নথিতে সেই দিনের কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ রয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিনিধিরা বঙ্গভঙ্গ এবং নতুন গণপরিষদে এর অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ভোট দেন। এই সিদ্ধান্তই বঙ্গভঙ্গের পথ প্রশস্ত করে দিয়েছিল। ভারতীয় স্বাধীনতা আইনের ৩ নং ধারায় পুরোনো বাংলা প্রদেশের পরিবর্তে পূর্ব বাংলা এবং পশ্চিম বাংলা- এই দুটি নতুন প্রদেশ গঠনের বিধান দেওয়া হয়। পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অংশ হয়, আর বাংলার পশ্চিমাংশ ভারতের মধ্যে থেকে যায় এবং ‘পশ্চিম বঙ্গ’ নামে পরিচিতি লাভ করে। পরবর্তীতে পূর্ব বাংলা পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত হয় এবং অবশেষে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর এটি স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি রাজ্য হিসেবে থেকে যায়।

Leave a Comment