=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

‘ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে দিলেই হবে সব সমস্যার সমাধান’ দাবি বাংলাদেশের!

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শিরোনামে ফারাক্কা বাঁধ (Farakka Barrage)। মূলত গঙ্গা নদীর উপর তৈরি এই বাঁধ ফিডার খালের মাধ্যমে গঙ্গার জল সরিয়ে ভাগীরথী-হুগলি নদীতে প্রবাহিত করে। তবে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ মহলের অনেকেই বলছেন, ফারাক্কা বাঁধ নাকি গঙ্গা-পদ্মার (Bangladesh) অববাহিকা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে! পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহারের পাশাপাশি বাংলাদেশের উত্তরের জেলাগুলির মানুষের জীবনযাপন এবং চাষাবাদে নাকি নানান সমস্যা তৈরি করছে এই বাঁধ। তাঁদের দাবি, ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে ফেলা হলে কলকাতা বন্দরের নাব্য রক্ষা করা যাবে! মিটবে সমস্যা।

ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে দিলেই সমস্যার সমাধান হবে?

বাংলাদেশের কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে ফেললে কলকাতা বন্দরের নাব্য রক্ষার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বিহারের ভাগলপুর থেকে ফারাক্কা পর্যন্ত মোট 139 কিলোমিটার অংশ এবং ফারাক্কা থেকে কলকাতা বন্দর পর্যন্ত মোট 40 কিলোমিটার নদীপথ গোটা বছর ধরে ড্রেজিং করলেই গঙ্গার গতিপথ অক্ষুণ্ন থাকবে। শুধু তাই নয়, ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, যদি বিহারের ভাগলপুর থেকে গোটা নদী ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয় সে ক্ষেত্রে বন্যার পাশাপাশি নদীতে চর পড়া বন্ধ হয়ে যাবে। একই সাথে নৌপথে যাতায়াত স্বাভাবিক হবে।

এখানেই শেষ নয়, মনে করা হচ্ছে এই বাঁধ ভেঙে ফেলা হলে মালদহের একটা বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রত্যেক বছর বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাবে। ভারতের পাশাপাশি উপকৃত হবে বাংলাদেশও! বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম আমার দেশের প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, এই বাঁধ সরিয়ে ফেলা হলে বাংলাদেশ শুষ্ক মরসুমেও জল পাবে। প্রয়োজন পড়বে না পদ্মা ব্যারেজের। ওই প্রতিবেদন বলছে, যত দ্রুত সম্ভব ফারাক্কা ব্যারেজ সরিয়ে গঙ্গার গতিপথ স্বাভাবিক করা প্রয়োজন। এতে দুই দেশের প্রকৃতি এবং পরিবেশ উভয়ই সুরক্ষিত থাকবে!

আরও পড়ুন: ভারত, চিনকে ধমকে নিজেই রাশিয়া থেকে তেল কিনছেন ট্রাম্প, বললেন ‘একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি’

বলে রাখি, কমবেশি প্রত্যেক বছরই ফারাক্কা ব্যারেজের দীর্ঘ নদী পথ ড্রেজিং করতে হয় ভারত সরকারকে। মূলত সে কারণেই এর আগে দেশের অভ্যন্তরেও বেশ কয়েকবার বন্যা পরিস্থিতি আটকাতে ফারাক্কা বাঁধ সরিয়ে ফেলার দাবি উঠেছিল! যদিও সরকারের তরফে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি। বাংলাদেশের তরফে দাবি উঠলেও ওপারের সরকারও এ প্রসঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি।

Leave a Comment