=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

“আগামীকালের মধ্যে জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে…” কড়া হুঁশিয়ারি অভিজিতের

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) পদত্যাগের দাবি ঘিরে নতুন করে সরব ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke) তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “আগামীকালের মধ্যে জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর মুম্বই থেকে দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু করবে CJP। এরপর সেই আন্দোলন দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।” অর্থাৎ ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জ্ঞানেশ কুমার যদি পদত্যাগ না করেন, ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিন মুম্বই থেকে দেশব্যাপী এক প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু করা হবে। পরে দেশের বিভিন্ন শহরে সেই কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগের দাবি

এর আগে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন দীপকে। তাঁর দাবি, ভোটার তালিকা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে যে সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হচ্ছে, এগুলো উপযুক্ত নয়। এই সিদ্ধান্তগুলি তরুণ ভোটারদের অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে। CJP-র পক্ষ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি জানানো হয়। দীপকের বক্তব্যে জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগও উঠে আসে।

ফর্ম-৬ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতবিরোধ

জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশীর আপত্তির বিষয়টিও সামনে এসেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ১০ মাসে ভোটার নিবন্ধন, নাম বাদ দেওয়া ও পুনর্বহাল এবং ভোটার তালিকার তথ্য ব্যবস্থাপনা-সহ অন্তত ১৪টি বিষয়ে তাঁরা লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ফর্ম-৬-এ পরিবর্তন আনার পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

আরও পড়ুন: মাটিগড়া থেকে ডুয়ার্স ২০১ কিমি হাইওয়ে! আরও সহজ হবে উত্তরবঙ্গ ভ্রমণ

ফর্ম-৬ পরিবর্তন এবং আরও গুরুত্বসহকারে ভোটার তালিকা সংশোধন বা SIR নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুধু ককরোচ জনতা পার্টি নয়, CJP-র পাশাপাশি অন্যান্য বিরোধী দলগুলিও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তারাও একইভাবে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে, দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির বিষয়টি নিয়ে যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে তাতে ভোটার নিবন্ধনের নিয়ম, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং কমিশনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

Leave a Comment