=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ক্যানসার দমনে ‘ব্রহ্মাস্ত্র’! ‘লিকুইড গোল্ড’ আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গলার সোনার হার কিংবা হাতের আংটি হঠাৎ করে যদি জলের মতো তরল (Liquid Gold) হয়ে বইতে শুরু করে, এবং কোনও জীবিত কোষ বা প্রাণীর মতো আচরণ করতে থাকে, তাহলে নিশ্চয়ই অবাক হবেন! কল্পবিজ্ঞান মনে হলেও জাপানের গবেষকরা এটাই এবার বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। হ্যাঁ, তোহোকু ইউনিভার্সিটির একদল বিজ্ঞানী সোনার এমন কিছু ন্যানোপার্টিক্যাল বা অতি ক্ষুদ্র কণা তৈরি করেছে, যা পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজের আকার আর বৈশিষ্ট্য বদলে ফেলতে পারে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই আবিষ্কার ক্যান্সার (Cancer) নিরাময় আর মানবদেহে সঠিক স্থানে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে একেবারে ঐতিহাসিক বিপ্লব আনতে চলেছে।

কী এই তরল সোনা?

আসলে এটি সাধারণ কোনও তরল সোনা নয়। ড. রিনা সাতো এবং অধ্যাপক কিয়োশি কানির তত্ত্বাবধানে গবেষকরা সোনার অত্যন্ত সূক্ষ্ম ন্যানোকণাকে জল আর বাতাসের ইন্টারফেসে স্থাপন করেছেন। এরপর এই কণাগুলির উপর দুটি বিশেষ জৈব অণুর আস্তরণ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সোনার কণাগুলি বাইরের তাপমাত্রা আর চাপের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জীবন্ত কোষের মতো প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করেছে।

কীভাবে কাজ করে এই প্রযুক্তি?

বিজ্ঞানীরা একে বলছেন এক অত্যন্ত বুদ্ধিমান মেটেরিয়াল। কারণ, তাপমাত্রা এবং চাপের সামান্য হেরফেরে এটি নিজের রূপ পরিবর্তন করে ফেলে। আর এই সোনার কণাগুলি জলের উপর আলাদা আলাদা ছোট ছোট দ্বীপের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে। এমনকি তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াতে পৌঁছলেই এই বিচ্ছিন্ন কণাগুলি ম্যাজিকের মতো একে অপরের সঙ্গে জুড়ে গিয়ে একটি শক্তিশালী জালের মতো নেটওয়ার্ক তৈরি করে ফেলে। আবার ওই জালের উপর সামান্য চাপ দিলে সেটি ভেঙে গিয়ে পুনরায় আগের মতো আলাদা আলাদা দ্বীপে পরিণত হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: নতুন ইতিহাস, আমেরিকা-ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেল ভারতীয় রেল

ক্যান্সার চিকিৎসায় কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

আসলে এই আবিষ্কারের সবথেকে আকর্ষণীয় দিক হল এর রূপান্তরের তাপমাত্রা, যা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আমাদের মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা আনুমানিক ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এবং ক্যান্সার আক্রান্ত টিউমারের চারপাশের সামান্য বেশি তাপমাত্রা এটির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বর্তমানে ক্যান্সার চিকিৎসায় কেমোথেরাপি দেওয়ার সময় শরীরের ভালো কোষগুলো নষ্ট হয়ে যায়। তবে এই লিকুইড গোল্ড প্রযুক্তির সাহায্যে এমন স্মার্ট ড্রাগ তৈরি করা সম্ভব, যা শরীরের সাধারণ অংশে নিষ্ক্রিয় থাকবে। তবে রক্তে ভাসতে ভাসতে যখনই সেটি ক্যান্সার আক্রান্ত টিউমারের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে, তখনই শরীরের ভেতরে তাপমাত্রা বা তাপীয় সংকেত চিনে নিয়ে সেখানে একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করে ফেলবে। আর ঠিক নির্দিষ্ট ক্যান্সার কোষটির উপরেই ওষুধ রিলিজ করবে। এতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থেকে রোগীরা রেহাই পাবে।

Leave a Comment