=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

‘তুই শ্রীরামপুরে আয়, ঘরে ফিরে যাস কী করে দেখব!’ কল্যাণের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ সুকান্তর

Sukanta Majumdar

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: হাতে বাকি আর মাত্র কয়েকটা মাস, এরপর বছর পেরোলেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতে চলেছে। এদিকে ভোট যত এগিয়ে আসছে, রাজ্যে উত্তেজনার পারদ তত বাড়ছে। SIR ইস্যুতে সারা ভারত এইমুহুর্তে উত্তাল। কিছুদিন আগেই বহু ঝঞ্ঝাটের মধ্যে দিয়ে বিহারের ভোটের তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা সুসম্পন্ন হয়েছে। এবার পালা বাংলায়। আর সেই নিয়েই তৃণমূল বনাম বিজেপি মাঠে নেমে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানাচ্ছে দুই দলকেই। এবার কড়া ভাষার মুখে পড়লেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

কেন্দ্রীয় বাহিনী নামলে গুলি চলবে

গত বুধবার কলকাতায় বিজেপির তফসিলি উপজাতি মোর্চার ডাকা মিছিল শুরুর আগে সুকান্ত মজুমদার বাংলায় SIR নিয়ে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের নাম না করে সে রীতিমত হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন যে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার বিরোধিতা করলে অথবা হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করলে গুলি চালানো হবে। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “সাধারণ মুসলিম ভাইদেরকে, যাঁরা আমাদের ভোট দেন না, তাঁদেরও বলছি, তৃণমূলের নেতাদের কথায় রাস্তায় নামবেন না। যদি ভাঙচুর করেন, দোকানঘর পোড়ান, বাড়িতে আক্রমণ করেন, তৃণমূলের কোনও নেতার ছেলের জীবন যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনী নামলে কিন্তু গুলি চলবে, আপনার বাড়ির লোকেদের গুলি লাগবে। তাই তৃণমূলের ফাঁদে পা দেবেন না।” আর এবার পাল্টা ‘আগুন জ্বলা’র হুঁশিয়ারি শোনা গেল তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে।

‘তুই তোকারি’ ভাষায় আক্রমণ কল্যাণের

রাজ্যে SIR নিয়ে বিরোধিতা করার সুরে বিজেপির প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে ‘তুই তোকারি’ ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “একটা ভোটারকে বাদ দিয়ে দেখুক না নির্বাচন কমিশন, স্তব্ধ করে দেব। বিজেপির ওই ছোড়াটা…কী যেন নাম, দেখ না CISF দিয়ে গুলি চালালে, ওই গুলি তোর বুকে লেগে যাবে। ওর মস্তানি বের করে দেব। বালুরঘাটে জিতেছিস ১০০০০ ভোটে, এবার দেখছি আমরা। কত বড় হিম্মত! বাংলার মানুষকে চিনিস না… দু’চারটে সুকান্ত হাওয়া দিয়ে উড়ে যাবে। যত বড়বড় কথা শুধু অফিসে বসে আর মিডিয়ার সামনে। মাঠে-ঘাটে কেউ আসে না। তুই শ্রীরামপুরে আয় না বক্তৃতা দিতে, তারপর তুই ঘরে ফিরে যাস কী করে দেখব!” আর এবার সেই চ্যালেঞ্জকে সরাসরি গ্রহণ করলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

আরও পড়ুন: ‘বিমান বসুকে বলুন চিঠির জবাব দিতে’, জোটের আবেদন করা সুজনকে জবাব নওশাদের

চ্যালেঞ্জ গ্রহণ সুকান্তর

এদিন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন কড়া বিস্ফোরক হুঁশিয়ারির পাল্টা কড়া জবাব দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। তিনি স্পষ্ট বলেন, “একজন সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে গুলি করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। এর থেকে বোঝা যায় ওনার মানসিক স্থিতি কী অবস্থায় আছে! এদের অবসরেরও বয়স পার হয়ে গেছে। এদের এখন বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানো উচিত। বাচ্চাদের মতো কথা বলে, কখন কী বলে তার কোনও ঠিক নেই।” এখানেই শেষ নয়, তিনি গতকাল আরও বলেন যে, “অভিষেক ব্যানার্জিতো এদের ঝেঁটিয়ে বিদেয় করবে দল থেকে। ওনার কত দম আছে তা আমার জানা আছে! পুলিশ সরে যাক না…বাড়ি থেকে বেরোতে পারবেন না। এত পয়সা খেয়েছে! বুড়ো বয়সে এমন সব কাজ করেছেন যে ক্যামেরার সামনে বলা যায় না। আমি ওনার চ্যালেঞ্জটা নিচ্ছি, আমি কালই যাচ্ছি ওর এলাকায়। কত বড় বাপের ব্যাটা হয়েছে দেখব।”

Leave a Comment