=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

পরপর তিনবার ব্যর্থ, তবু ছাড়েননি হাল, UPSC-তে ৬২ র‍্যাঙ্ক নিয়ে IAS হলেন বৈষ্ণবী

অনন্যা সরকার, উত্তরপ্রদেশ: কখনো কখনো খুবই সামান্য কিছু ঘটনা, কয়েকটা শব্দ বা একটি বাক্যও আমাদের জীবনে গভীর পরিবর্তন আনতে পারে। ঘুরিয়ে দিতে পারে জীবনের মোড়। উত্তরপ্রদেশের বৈষ্ণবী পালের জীবনেও ঘটে এমনই ঘটনা, যিনি ছোটবেলায় পড়া কথাগুলো মনে রেখেছিলেন, কিন্তু আসল সংগ্রামের পথে পা রাখার পরেই এর প্রকৃত অর্থ বুঝতে পারেন (UPSC Success Story of IAS Vaishnavi Paul)। পাঁচ বছরের কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য এবং দৃঢ় সংকল্প তাঁর আইএএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন সত্যি করে। আসুন তাঁর এই সাফল্যের গল্পটি জেনে নেওয়া যাক।  

শৈশবেই ঠিক করেন হবেন আইএএস অফিসার

এক সাক্ষাৎকারে বৈষ্ণবী পাল জানান যে, তিনি ছোটবেলা থেকেই একজন আইএএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। তবে শুধু স্বপ্ন দেখেই ক্ষান্ত হননি, দিনরাত পরিশ্রম করে গেছেন। তাঁর মা ছিলেন একজন শিক্ষিকা এবং তাঁর অনুপ্রেরণাই তাঁকে প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার সাহস জুগিয়েছে। বৈষ্ণবী সবসময় পড়াশোনাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতেন এবং ছোটবেলা থেকে সংবাদপত্র পড়ার অভ্যাস তাঁর চিন্তাভাবনাকে আরও শক্তিশালী করে।

বৈষ্ণবী গোন্ডা জেলার ফাতিমা স্কুল থেকে তাঁর ইন্টারমিডিয়েট পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য দিল্লি যান। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ লেডি শ্রী রাম কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তারপর তিনি জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়াশোনা শেষ করে বৈষ্ণবী ইউপিএসসি-র জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন। পরপর তিনবার ইউপিএসসি পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পরও হাল ছাড়েননি তিনি। অবশেষে ২০২২ সালে আসে সেই বহু প্রতীক্ষিত সাফল্য। ছোটবেলার স্বপ্নপূরণ হয় বৈষ্ণবীর। তিনি সর্বভারতীয় র‍্যাঙ্ক ৬২ (AIR) অর্জন করে ইউপিএসসি টপার হন।  

আরও পড়ুন: বিরল রোগে আক্রান্ত ২২ মাসের শিশু, ৯ কোটির চিকিৎসা খরচ বহনের আশ্বাস অনন্ত আম্বানির

বৈষ্ণবীর ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন পোস্টটি চোখে জল এনে দেয়। সেখানে লেখা আছে, “এক মুহূর্তের সাফল্য সারাজীবনের সংগ্রাম ভুলিয়ে দেয়।” – এই লাইনগুলো তিনি তাঁর বাবার দোকানের একটি ক্যালেন্ডারে পড়েছিলেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ১১ বছর। এতে যে সংগ্রাম ও সাফল্যের কথা বলা হয়েছিল, তার অর্থ তখন অনুধাবন করতে পারেননি ছোট মেয়েটি। তবে অর্থের গভীরতা উপলব্ধি না করতে পারলেও, লাইনটি তাঁর মনে চিরকালের জন্য গেঁথে গিয়েছিল। বৈষ্ণবীর ইউপিএসসি যাত্রাটি ছিল উত্থান-পতনে ভরা, যা পাঁচ বছর ও চারটি প্রচেষ্টা জুড়ে তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। ইউপিএসসি অফিসার হওয়ার খবর পাওয়ার পর তাঁর মন ফিরে যায় সেই ১১ বছরের ছোট্ট মেয়েটির কাছে, যে একদিন এমন সাফল্যের স্বপ্ন দেখেছিল, যা তাঁর সারা জীবনের সংগ্রামকে ভুলিয়ে দিতে পারবে।

Leave a Comment