বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতীয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (Border Security Force) হাতে আটক বাংলাদেশের দুই পুলিশ (Bangladesh Police) কর্মী, এমনটাই দাবি করা হচ্ছে ওপারের সংবাদমাধ্যম দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার আশাবাড়ি সীমান্তে নাকি মাদক উদ্ধার অভিযানে নেমেছিলেন বাংলাদেশের ওই দুই পুলিশ কর্মী। গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাত 10 টা নাগাদ বাংলাদেশের শশীদল ইউনিয়নের কাছেই সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদের পাকড়াও করে BSF।
কেন বাংলাদেশের দুই পুলিশ কর্মীকে আটক করল BSF?
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অর্থাৎ ওসি মো. ফারুক হোসেন জানিয়েছেন, বাংলাদেশের যে দুই পুলিশ কর্মীকে আটক করা হয়েছে তাঁদের নাম ইমরান হোসেন ও রোহিত দেওয়ান। তাঁরা যথাক্রমে ASI ও পুলিশ কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। বাংলাদেশের কয়েকজন পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে মাদক উদ্ধারের জন্য ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অভিযান চালিয়েছিলেন ওই দুই পুলিশ কর্মী সহ বাংলাদেশ পুলিশের কয়েকজন সদস্য।
জানা গিয়েছে, মাদক কারবারিদের ধাওয়া করতে করতে একটা সময় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের 2059 নম্বর পিলার সংলগ্ন নো ম্যানস ল্যান্ডে প্রবেশ করে যান কনস্টেবল রোহিত। সেখান থেকেই অভিযুক্তদের আটক করেন তিনি। তবে মাদক কারবারিদের আটক করলেও সীমান্ত পেরিয়ে চলে আসায় তাঁকে ধরে নেয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স। অন্যদিকে ওই পুলিশ কনস্টেবলকে উদ্ধার করার চেষ্টা করতে সেখানে ছুটে গেলে আরেক পুলিশ কর্মী ইমরানকেও আটক করে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী।
আরও পড়ুন: ‘আমরা প্রতিযোগিতায় ভয় পাই না’ আর চুপ নয়! মাস্ককে সপাটে বার্তা মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্সের
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ পুলিশের ওই দুই সদস্যকে আটক করে নিজেদের ক্যাম্পে নিয়ে এসেছেন বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যরা। যদিও পরবর্তীতে বাংলাদেশের সাথে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ওই দুই পুলিশ কর্মীকে ফিরিয়ে দিতে পারে BSF। তার আগে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা চলছে জোরকদমে।