=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বাবার সামান্য মুদিখানার দোকান, অনটন উপেক্ষা করে একসাথে NEET উত্তীর্ণ তিন ভাইবোন

অনন্যা সরকার, বিহার: বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষার (NEET UG 2026) ফলাফল প্রকাশের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সফল পরীক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প সামনে আসছে। এমনই গল্প উঠে এসেছে বিহারের সহারসা থেকে। এই কাহিনী তিন ভাইবোনের, যারা আবারও প্রমাণ করেছে দৃঢ় সংকল্প, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার দ্বারা আর্থিক অনটনের মতো বড় প্রতিবন্ধকতাও দূরে সরিয়ে সফল হওয়া সম্ভব (NEET UG 2026 Success Story)। সহারসা নিবাসী এই তিন ভাইবোন দেখিয়ে দিয়েছে সীমিত সম্পদেও সাফল্য অর্জন করা যায়। 

তিন ভাই বোনের অভিন্ন স্বপ্ন

বিহারের সহারসার বাসিন্দা রজনীশ কুমার, প্রহ্লাদ কুমার এবং তাদের বোন সাক্ষী এবছর সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষায় একইসাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁদের এই সাফল্য এখন সারা এলাকায় চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদন অনুসারে, রজনীশ এবং প্রহ্লাদ দুজনেই সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE) বোর্ডের ছাত্র ছিলেন, অন্যদিকে সাক্ষী বিহার স্কুল এক্সামিনেশন বোর্ড (BSEB) থেকে পড়াশোনা করেছেন। তিনজনের শিক্ষাগত ব্যাকগ্রাউন্ড ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও, তিনজনেরই জীবনের লক্ষ্য ছিল এক – ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করা। এই স্বপ্ন পূরণের জন্য তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন এবং অবশেষে একসাথে নিট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তাদের পরিবার ও জেলার জন্য গৌরবের কারণ হয়ে উঠেছেন। 

আরও পড়ুন: খামারে কাজ করেন মা, ছেড়ে গিয়েছেন বাবা! NEET-এ অভাবনীয় সাফল্য বীরভূমের যুবকের

ওই তিন ভাইবোনের বাবা রোহিত আনন্দ একটি ছোট মুদি দোকান চালান, এর থেকে যা উপার্জন করেন, তা দিয়েই তাদের পরিবার চলে। আর্থিক সমস্যার কারণে তাদের পক্ষে সন্তানদের কোটা বা দিল্লির মতো বড় কোচিং সেন্টারে পড়াশোনার জন্য পাঠানো সম্ভব ছিল না। তবে আর্থিক প্রতিকূলতা থাকলেও, সন্তানেরা তাদের স্বপ্নকে কখনও ম্লান হয়ে যেতে দেননি। সাহারসায় থেকেই তারা পূর্ণ নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের সাথে নিটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং অবশেষে একসাথে সাফল্য অর্জন করেছেন। 

রজনীশ, প্রহ্লাদ এবং সাক্ষীর বাবা রোহিত আনন্দ এবং মা পুনম দেবী জানান, তারা শুরু থেকেই তাদের সন্তানদের স্পষ্টভাবে বলে দেন যে তাদের আর্থিক অবস্থা কোটা বা দিল্লির মতো শহরে কোচিং নিয়ে পড়াশোনা করানোর মতো নয়। তবে তাঁরা তিন সন্তানদেরই আশ্বাস দেন যে, তাঁরা তাদের পড়াশোনার কোনো ক্ষতি হতে দেবেন না এবং যতটুকু তাঁদের দ্বারা সম্ভব পুরোটা দিয়ে তিন ছেলেমেয়েকে সহায়তা করবেন। এরপর, তিন ভাইবোন সহারসার একটি স্থানীয় কোচিং ইনস্টিটিউট থেকে তাঁদের প্রস্তুতি সারেন।

আরও পড়ুন: প্রবীণদের জন্য MBBS-এ সিট সংরক্ষণের দাবি নিয়ে হাইকোর্টে ৭১ বছরের NEET পরীক্ষার্থী

যেখানে বহু ছাত্রছাত্রী নিটের প্রস্তুতির জন্য কোটা বা অন্য কোনো বড় কোচিং সেন্টার থেকে প্রস্তুতি নেয়, সেখানে এই তিনজন তাদের নিজের জেলা থেকেই পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিল। তাঁদের কথায়, পড়াশোনার পাশাপাশি টাইম ম্যানেজমেন্ট এবং নিরন্তর কঠোর পরিশ্রমই ছিল তাদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। প্রস্তুতির চলাকালীন, এই তিন ভাইবোন কঠিন বিষয়গুলো নিয়ে একে অপরের সাথে আলোচনা করতেন। সম্মেলিতভাবে পড়াশোনার করার ফলে তাঁদের অনেক সুবিধা হয় এবং সামগ্রিকভাবে আত্মবিশ্বাসও বাড়ায়। 

রজনীশ, প্রহ্লাদ এবং সাক্ষী তিনজনই সাফল্যের কৃতিত্ব তাদের বাবা-মাকে দেন। তারা জানান যে, পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় বাবা-মা সবসময় তাদের উৎসাহিত করেছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন যে সৎ ও কঠোর পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না। বাবা-মায়ের এই বিশ্বাস এবং সমর্থনই তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠেছিল।

Leave a Comment