বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: 3000 কোটি টাকার মাদক সহ গ্রেফতার 5 পাকিস্তানি (Pakistani Arrest)। জানা যাচ্ছে, গুজরাত (Gujarat) উপকূল থেকে তাঁদের গ্রেফতার করেছে সে রাজ্যের এসটিএফ এবং উপকূলরক্ষী বাহিনী। কয়েকটি সূত্র মারফত জানা গিয়ে, গুজরাত উপকূলের কাছেই ইরানের একটি নৌকাকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে উপকূলরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা। তারপরই ওই নৌকাটিকে ধাওয়া করে 5 পাকিস্তানিকে আটক করা হয়। যে ঘটনায় ছড়িয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য।
মাদক পাচার করতে এসেছিল পাকিস্তানিরা?
জানা গিয়েছে, গুজরাত উপকূলের অদূরে ইরানের নৌকাটিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে প্রথমে সেটিকে ঘিরে ফেলে উপকূলরক্ষী বাহিনী। যদিও তাঁদের চোখে ধুলো দিয়ে নৌকাটি পালানোর চেষ্টা করছিল, তবে পরবর্তীতে সেটিকে ধাওয়া করে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। শেষ পর্যন্ত নৌকাটিকে আটকে সেখান থেকে পাঁচ জন পাকিস্তানের নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে 526 কেজি হেরোইন ও মেথামফেটামাইন। এই মুহূর্তে যার বাজার মূল্য তিন হাজার কোটি টাকা।
সূত্রের খবর, উপকূলরক্ষী বাহিনী এবং গুজরাতের এসটিএফ উভয়ের প্রচেষ্টায় ওই 5 পাকিস্তানিকে গ্রেফতার করে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা গিয়েছে। এসটিএফের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, ওই গুজরাত বন্দরে মাদক পাচারের সম্ভাবনা ছিল। গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে তা জানানো হয় উপকূলরক্ষী বাহিনীকে। পরবর্তীতে বাহিনী কড়া নজরদারি চালানোয় জালে আসে সন্দেহজনকভাবে ঘুরে বেড়ানো ইরানের নৌকাটি। আটক করা গিয়েছে পাঁচজন পাকিস্তানিকে।
আরও পড়ুন: “টিম ইন্ডিয়ার পরিবেশ নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিল বিরাট” কোহলির টেস্ট থেকে অবসরের কারণ ফাঁস!
যা খবর, ধৃত ওই পাকিস্তানিরাই নাকি ভারতে মাদক বাজারের দায়িত্ব পেয়েছিল। তবে শেষ রক্ষা হল না। জানা যায়, জলপথে নজরদারি চালানোর পাশাপাশি আকাশপথেও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে সমুদ্রে নজর রাখা হয়েছিল। আর সেই নজরদারির সুবাদেই আটক করা গেল পাকিস্তানি পাচারকারীদের! যে ঘটনায় ইতিমধ্যেই এসটিএফ এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীর পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন অনেকেই।