সহেলি মিত্র, কলকাতা: রেশন গ্রাহকদের (Ration System) জন্য রইল দারুণ সুখবর। রেশন বন্টন ব্যবস্থায় বড় বদল আনল সরকার। রেশন কার্ড শুধু ভর্তুকিতে চাল-গম পাওয়ার নথি নয়, সরকারি খাদ্য কর্মসূচিরও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন (NFSA)-এর আওতায় যোগ্য পরিবার নির্দিষ্ট নিয়মে চাল, গম-সহ খাদ্যশস্য পায়। রেশন কার্ডের নিয়ম ও যোগ্যতা রাজ্য সরকার নির্ধারণ করে।
রেশন ব্যবস্থায় বড় বদল
দিল্লিতে রেশন কার্ডের প্রক্রিয়া অনলাইন করা হয়েছে। মে মাস থেকে e-District পোর্টালে নতুন রেশন কার্ডের আবেদন এবং পরিবারের সদস্যদের নাম যুক্ত করার সুবিধা চালু হয়েছে। পুরনো অমীমাংসিত আবেদনও আবেদনকারীদের লগইনে ফেরত পাঠানো হয়েছে, যাতে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি আপডেট করা যায়।
রেশন কার্ডের মাধ্যমে যোগ্য পরিবারগুলি ন্যায্যমূল্যের দোকান থেকে সরকারি খাদ্যশস্য সংগ্রহ করতে পারে। NFSA-এর অধীনে AAY পরিবার প্রতি মাসে ৩৫ কেজি, আর PHH পরিবার জনপ্রতি ৫ কেজি খাদ্যশস্য পায়। অনেক ক্ষেত্রে রেশন কার্ড পরিবার ও বাসস্থানের নথি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
APL, BPL ও AAY-এর পার্থক্য
আগে APL (দারিদ্র্যসীমার উপরে) ও BPL (দারিদ্র্যসীমার নিচে) শ্রেণিবিভাগ বেশি প্রচলিত ছিল। বর্তমানে NFSA-এর অধীনে প্রধান শ্রেণি হল AAY ও PHH। AAY সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলির জন্য, যেখানে প্রতি পরিবার মাসে ৩৫ কেজি খাদ্যশস্য পায়। PHH-তে জনপ্রতি ৫ কেজি খাদ্যশস্য দেওয়া হয়। যোগ্যতা ও সুবিধাভোগী বাছাইয়ের নিয়ম রাজ্য সরকার নির্ধারণ করে।
দিল্লিতে নতুন রেশন কার্ডের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়। e-District পোর্টালে রেজিস্টার বা লগইন করে খাদ্য ও সরবরাহ বিভাগের সংশ্লিষ্ট পরিষেবা বেছে নিতে হবে। সেখানেই AAY/PHH কার্ডের আবেদন করা যায়। অনলাইনে সমস্যা হলে নিকটবর্তী সহায়তা কেন্দ্রে সাহায্য নেওয়া সম্ভব। আবেদন জমা দেওয়ার পর নথি ও যোগ্যতা যাচাই করে বিভাগ।
প্রয়োজনীয় নথি কী কী লাগবে?
আধার কার্ড, বসবাসের প্রমাণ, বৈধ পারিবারিক আয় শংসাপত্র এবং পরিবারের সদস্যদের আধার তথ্য প্রয়োজন। ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে আধার, ভোটার আইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, রেজিস্টার্ড ভাড়া চুক্তি, ব্যাঙ্ক পাসবুক, বিদ্যুৎ বা জলের বিল গ্রহণ করা হতে পারে। তবে পরিষেবা অনুযায়ী নথির তালিকা বদলাতে পারে।