বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: 2024 সালে ছাত্র আন্দোলনের মুখে পড়ে বাংলাদেশের (Bangladesh) সিংহাসন ছেড়েছিলেন শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। পরবর্তীতে হেলিকপ্টারে ভারতে চলে আসেন তিনি। তারপর থেকে নয়া দিল্লিতেই রয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি ওপার বাংলায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হাসিনার ভারতে আসা নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী (Dinesh Trivedi)। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের কাছে দ্বিতীয় কোনও বিকল্প ছিল না।” প্রশ্ন উঠছে, হাসিনাকে ঢুকতে না দিলে কী এমন সমস্যা হতো?
হাসিনাকে ঢুকতে না দিলে কী এমন সমস্যা হতো?
গতকাল অর্থাৎ শনিবার বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়, বে অফ বেঙ্গল কনভারসেশন 2026 এর এক সেশনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার খোলাখুলি জানান, “পুরনো বন্ধু হিসেবে ভারতের যা করার সেটা করেছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া আর কোনও বিকল্প ছিল না আমাদের। তবে ওই সময় তাঁর বিমান নামতে না দিলে ঠিক কী হতো সেটা জানা নেই।”
এদিন শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে আরও খোলসা করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, “ভারতীয় বায়ুসেনা বা সেনাবাহিনী হাসিনাকে ভারতে নিয়ে আসেনি, বরং বাংলাদেশের সামরিক বিমানে করে ভারতে গিয়েছিলেন তিনি।” হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে চলেছে ভারত? এমন প্রশ্নের উত্তরে ত্রিবেদী একেবারে স্পষ্ট করে বলেন, “শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ সুগঠিত আইনি প্রক্রিয়ার বিষয় এবং এই প্রক্রিয়ায় আদালত যুক্ত রয়েছে। তাই এ নিয়ে নতুন করে কোনও সময়সীমা বলে দেওয়া সম্ভব নয়।”
Indian high commissioner to Bangladesh Dinesh Trivedi says Sheikh Hasina was brought to India by Bangladesh “military aircraft”. Adding, “we hardly had any choice…Our duty as neighbour to accept reality of life. What was our choice”
Csty: Cgs/BoBC pic.twitter.com/4za1NZxdUB
— Sidhant Sibal (@sidhant) October 3, 2026
আরও পড়ুন: ব্যাট হাতে মাঠে দেখা যাবে না আর! 2027 IPL-এ যে দলের মেন্টর হতে পারেন ধোনি
ভারতীয় হাইকমিশনার বাংলাদেশের কয়েকজন শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে জানিয়ে দেন, ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছে, শেখ হাসিনাকে নিয়ে গোটা প্রক্রিয়াটি নির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর মধ্যে রয়েছে। ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে নিজস্ব আইন ব্যবস্থার প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল এবং আগামী দিনে সবটাই আইন মেনে হবে।