=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

৮ বার লিখিত পরীক্ষায় পাস করেও ফাইনাল লিস্টে বাদ! ৫৯ বছর বয়সে হলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক

অনন্যা সরকার, উত্তরপ্রদেশ: ‘বয়স কেবল একটি সংখ্যা’ – এই কথাটা আমার প্রায়ই বলে থাকি, কিন্তু খুব কম মানুষই কথাটিকে অর্থবহ করে তোলেন। যেমনটা করে দেখিয়েছেন বাগপতের বাসিন্দা বিজয় কুমার শর্মা। সম্প্রতি, তিনি ৫৯ বছর বয়সে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছ থেকে সরকারি শিক্ষক (Government Teacher) হওয়ার জন্য একটি নিয়োগপত্র পেয়েছেন। যে বয়সে মানুষ অবসরের পরিকল্পনা করেন, সেখানে দাঁড়িয়ে শিক্ষক হিসেবে নতুন কর্মজীবন শুরুর স্বপ্ন দেখছেন বিজয়। 

৫৯ বছর বয়সে হলেন সরকারি শিক্ষক 

উত্তর প্রদেশের বাগপত জেলার বাদওয়াড় গ্রামের বাসিন্দা ৫৯ বছর বয়সী বিজয় কুমার শর্মা সম্প্রতি শামলির একটি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে সংস্কৃতের প্রশিক্ষিত স্নাতক শিক্ষক (TGT) হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। তিনি ৫৯ বছর বয়সে এসে এই সরকারি চাকরিটি পেয়েছেন। এরপর ৬২ বছর বয়স পর্যন্ত, অর্থাৎ ২.৫ বছর এই পদে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।

বিজয় কুমার শর্মা শেষবার তাঁর ২৮ বছর বয়সী মেয়ে মমতার সঙ্গে পরীক্ষা বসেন। তিনি ও তাঁর মেয়ে দুজনেই পাশ করেছেন। তবে, বিজয়ের মেয়ে এখনও ওয়েটিং লিস্টে রয়েছেন। বিজয় জানিয়েছেন যে, তাঁর মেয়েরও শীঘ্রই নিয়োগপত্র পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

আরও পড়ুন: সেপ্টেম্বরে অন্নপূর্ণা যোজনা না ঢুকলে করুন এই ৫ কাজ

দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে চলছে বিজয় কুমার শর্মার এই লড়াই। ১৯৯৯ সালে প্রথম সরকারি শিক্ষক হওয়ার জন্য সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় বসেন তিনি। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি ছয়বার ট্রেনড গ্র্যাজুয়েট টিচার বা টিজিটি-এর লিখিত পরীক্ষা এবং চারবার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার বা পিজিটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এই আটবার সাক্ষাৎকারে অংশ নিলেও চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাননি তিনি। তবে এবার কোনও সাক্ষাৎকার না থাকায় ২৭ বছরের অপেক্ষার পর তাঁর শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হল।

বিজয় কুমার শর্মা এতগুলো বছর ধরে সরকারি চাকরির জন্য চেষ্টা করে যাওয়ার পাশাপাশি প্রায় ২৬ বছর ধরে বারৌতের কাছে একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করে আসছেন। তাঁর বাবা লক্ষ্মণ সিংও একজন সরকারি শিক্ষক ছিলেন এবং তাঁর কাছ থেকেই তিনি এই পেশা বেছে নেওয়ার অনুপ্রেরণা পান। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর হাতে নিয়োগপত্র পেয়ে অত্যন্ত খুশি উত্তরপ্রদেশের মাস্টার মশাই।

Leave a Comment