=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

১৪ হাজার থেকে ৭২ হাজারের বকেয়া বিদ্যুতের বিল! শান্তিপুরে স্মার্টমিটার নিয়ে ‘অশান্তি’

অনন্যা সরকার, শান্তিপুর: নদিয়ায় শান্তিপুর ও তার আশেপাশের অঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে স্মার্ট মিটার (Smart Meter) নিয়ে ব্যাপক অশান্তি ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। আসলে ওই অঞ্চলে সম্প্রতি বহু গ্রাহকের ফোনে মাইনাস ব্যালেন্স বা বকেয়া বিলের মেসেজ পাঠানো হয়েছে, সেখান থেকেই এই পরিস্থিতির সূত্রপাত। স্থানীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, কোনো গ্রাহকের কাছে ৭২ হাজার টাকা, আবার কারও কাছে ১৪ হাজার টাকা বা ১,০৪৫ টাকার মতো মাইনাস ব্যালেন্স দেখিয়েছে বিল মেটানোর আর্জি করা হয়েছে। এই অদ্ভুত বিল দেখে কার্যত রাতের ঘুম উড়েছে ভুক্তভোগীদের।

অভিযোগ জানতে গ্রাহকরা গেলেন বিদ্যুৎ দফতরে

‘শান্তিপুর বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি’ এবং ‘সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি’-র প্রতিনিধিরা এই সমস্যা মেটানোর দাবিতে শান্তিপুর ইলেকট্রিক সাপ্লাইয়ের অফিসে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের নিয়ে যান। বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতির এক প্রতিনিধি জানান, গত শুক্রবার রাত থেকেই বহু গ্রাহক তাদের সাথে যোগাযোগ করছিলেন। কিন্তু শনি রবিবার অফিস বন্ধ থাকায় তারা বিদ্যুৎ দফতরে আসেন। জানা যায় প্রায় ৬০-৬৫ জন এই অস্বাভাবিক মাইনাস ব্যালেন্সের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। 

দুই গ্রাহক প্রতিনিধি হাকিম আলী শেখ ও বাসুদেব হালদার জানান, মে, জুন ও জুলাই মাসের বকেয়া পোস্ট-পেইড বিল পরিশোধ করা সত্ত্বেও নতুন প্রি-পেইড সিস্টেমে যাওয়ার পর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই পরিমাণ মাইনাস ব্যালেন্স দেখাচ্ছে। বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মকর্তারা মৌখিকভাবে আশ্বাস দিয়েছেন যে, এটি সাময়িক সমস্যা এবং আগামী তিন চার তারিখের মধ্যে নতুন বিল জেনারেট হলে সমস্যা মিটে যাবে। তবে এই বিষয়ে কোনও লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি বিদ্যুৎ দপ্তরের পক্ষ থেকে, তাই মন থেকে আতঙ্ক পুরোপুরি কাটছে না গ্রাহকদের। 

শান্তিপুর গ্রাহক সমিতি অভিযোগ জানিয়েছে যে, সর্বপ্রথম শান্তিপুরে স্মার্ট মিটার বসানো হয়। বলা হয়েছিল এটি কোনো প্রিপেইড মিটার নয়, আগের মিটারের একটি আধুনিক সংস্করণ মাত্র। কিন্তু গ্রাহকদের সম্মতি ছাড়াই এটিকে প্রিপেইড সিস্টেমে রূপান্তর করা হয়েছে। সমিতির প্রতিনিধিরা বলেছেন, স্বল্পশিক্ষিত গরিব মানুষদের পক্ষে ইংরেজি মেসেজ পড়ে তা বোঝা ও ব্যালেন্সের হিসেব রাখা কঠিন কাজ। এর জন্য আগে থেকেই বাড়তি টাকা রিচার্জ করে রাখার দরকার, যা গরিব খেটে খাওয়া মানুষের জন্য বড় সমস্যা।

আরও পড়ুনঃ ১২০ কিমি গতিতে ছুটল ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন, দেখুন ভিডিও

বিদ্যুৎ দফতর সূত্রে জানা গেছে, শান্তিপুরে পোস্ট পেইড থেকে প্রি-পেইড সিস্টেমে যাওয়ার সময় কিছু গ্রাহক আন্দোলন করে আবারও পোস্ট পেইড কানেকশনে ফিরে গিয়েছেন, যার ফলে কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি হয়েছে। ৬৬ জন গ্রাহকের ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা গেছে, যা আগামী মাসের মধ্যেই সমাধান হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে কোনোভাবেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হবে না বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ দফতর। শান্তিপুরের সাধারণ মানুষ ও গ্রাহক সমিতি দাবি করেছে, ত্রুটিপূর্ণ স্মার্ট মিটারগুলি বাতিল করে আগের ডিজিটাল মিটার ও পোস্ট-পেইড সিস্টেম ফিরিয়ে আনা হোক। এতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের প্রক্রিয়াটি সহজ ও স্বচ্ছ হবে।

Leave a Comment