গালওয়ানের পর ফের ভারতে শি জিনপিং, BRICS-এর ফাঁকে মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন চিনের প্রেসিডেন্ট!

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: চলতি সেপ্টেম্বরের 12 ও 13 তারিখ দিল্লির বুকে অনুষ্ঠিত হবে ব্রিকস সম্মেলন (BRICS)। প্রশ্ন উঠছিল শেষ পর্যন্ত আদৌ এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)? অবশেষে মিলল সেই উত্তর। 2026 ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন প্রেসিডেন্ট জিনপিং। আর ওই সম্মেলনের ফাঁকেই দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সাথে আলাদা করে বৈঠক করতে পারেন তিনি। আর সেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হবে। আলোচনা হবে অন্যান্য একাধিক বিষয় নিয়েও।

গালওয়ান সংঘাতের পর প্রথম ভারতে আসছেন চিনের প্রেসিডেন্ট

2020 সালে 15 জুন রাতে ভারত এবং চিনের সেনাবাহিনীর মধ্যে বাঁধে সংঘাত। গালয়ান উপত্যকায় লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC) বরাবর এই রক্তক্ষয়ী প্রাণঘাতী সংঘর্ষের প্রায় 7 বছর পর প্রথমবারের মতো ভারতে আসছেন চিনের প্রেসিডেন্ট জিনপিং। শোনা যাচ্ছে, শনিবার দিল্লিতে পৌঁছে প্রথমে শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করবেন চিনের প্রেসিডেন্ট। পরবর্তীতে ওই সম্মেলনের ফাঁকেই প্রধানমন্ত্রী সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি। যদিও এই বৈঠক প্রসঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও পর্যন্ত কিছুই জানানো হয়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে পূর্বের সংঘাত কর্ম কাটিয়ে ধীরে ধীরে কাছে এসেছে ভারত এবং চিন। দুই দেশের মধ্যে আবারও শুরু হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এমতাবস্থায়, ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের মাঝে দুই প্রতিবেশীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। এর আগে শেষবারের মতো 2019 সালে ভারত সফরে এসেছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। কাজেই দীর্ঘ সময় পর তাঁকে ফের দেশের মাটিতে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত নয়া দিল্লি।

আরও পড়ুন: পদের অপব্যবহার, দুর্নীতির অভিযোগ! WHO-র চাকরি হারালেন হাসিনা কন্যা

প্রসঙ্গত, 2026 সালে ব্রিকসের 18তম সম্মেলন যে ভারত আয়োজন করতে পারে সেটা বোঝা গিয়েছিল আগেই। সেই মতোই, এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো এই বিশেষ সম্মেলন আয়োজন করতে চলেছে নয়া দিল্লি। এখানে উপস্থিত থাকবেন রাশিয়া, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো সদস্য দেশগুলির প্রধানেরাও! মনে করা হচ্ছে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে বৈশ্বিক শাসনের সংস্কার থেকে শুরু করে বাণিজ্য, অর্থায়ন, প্রযুক্তি, জ্বালানি নিরাপত্তা থেকে শুরু করে টেকসই উন্নয়নের মতো বিষয়গুলির ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াবে সদস্য দেশগুলি।

Leave a Comment