=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

জন্ম কুখ্যাত চম্বলের ডাকাত পরিবারে, UPSC ক্র্যাক করে নজির গড়লেন দেব প্রভাকর

অনন্যা সরকার, মধ্যপ্রদেশ: একসময় চম্বল বন্দুকের শব্দ, গভীর গিরিখাত আর দুঃসাহসিক দস্যুদের কীর্তি-কাহিনীর জন্য পরিচিত ছিল। এহেন কুখ্যাত চম্বল থেকে সংগ্রাম ও ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়ে নিজেকে প্রমাণ করে সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো দেব প্রভাকর তোমরের গল্পটি (UPSC Success Story of Dev Prabhakar Singh Tomar) কোনো দৃষ্টান্তের চেয়ে কম নয়। কঠিন পরিস্থিতির কারণে তাঁর দাদু চম্বলের ‘বাগি’ (কুখ্যাত ডাকাত) হতে হয়েছিল। কিন্তু নাতি বন্দুকের আওয়াজের মাঝেও পড়াশোনার পথ বেছে নেন এবং কঠোর পরিশ্রম করে দেব প্রথমে আইআইটি (IIT)-তে পৌঁছান এবং তারপর ইউপিএসসি (UPSC) পাস করে উচ্চপদস্থ সরকারি অফিসার হন। আসুন তার এই অসামান্য সাফল্যের কাহিনীটি জেনে নেওয়া যাক।

কুখ্যাত চম্বলের বেড়ে ওঠা দেবের সম্মান অর্জনের লড়াই

দেব প্রভাকর সিং তোমরের গল্প শুরু হয় চম্বলের মোরেনা জেলায়। কঠিন পারিবারিক ও সরকারি সমস্যার কারণে তাঁর দাদু কুখ্যাত বাগি হতে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু এর ফলে পরিবারটি আর্থিক সংকট ও নানা সমস্যায় পড়ে। কিন্তু দেবের বাবা এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে এবং শিক্ষাকে ভিত্তি করে পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার সংকল্প করেন। 

প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পর দেব সিবিএসই বোর্ডে ভর্তি হন, যেখানে তাঁকে ভাষা ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তবে, একাদশ শ্রেণিতে তিনি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (IIT Ropar)-তে ভর্তি হন। অর্থের অভাব থাকা সত্ত্বেও, তিনি বাড়িতে পড়াশোনা করে প্রথম চেষ্টাতেই আইআইটি রোপারে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান। এটি ছিল তাঁর কঠোর পরিশ্রমের ফল, যা তাঁকে পৌঁছে দেয় বিদেশের মাটিতে। সেখানে তিনি চাকরির সুযোগ পান।

আরও পড়ুন: পুজোর মরসুমে ২.৫ লক্ষ কর্মসংস্থান! হরিণঘাটায় বিরাট চমক ফ্লিপকার্টের

তবে, বিদেশে ভালো পদে কর্মরত থেকেও দেব সন্তুষ্ট ছিলেন না। সমাজের তৃণমূল স্তরের মানুষদের জন্য কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি ইউপিএসসি-র প্রতি আকৃষ্ট হন। চাকরি ছেড়ে ফিরে আসেন দেশে। এতে তাঁর পরিবারের পূর্ণ সমর্থন ছিল। প্রাথমিক প্রস্তুতির সময় তিনি প্রিলিমস পরীক্ষায় ফেল করেন। বেশ কয়েকবার হাল ছেড়ে দেওয়ার কথাও তার মাথায় আসে, এমনকি নিজের নোট বিক্রি করে দেবেন বলেও ভেবেছিলেন। 

নানা প্রতিকূলতার মাঝে দেব তার প্রস্তুতির কৌশল পরিবর্তন করেন এবং ‘স্মার্ট ওয়ার্ক’-এর ওপর মনোযোগ দেন। তিনি নিজের ভুলগুলো বুঝতে পারেন ও প্রিলিমস থেকে শুরু করে ইন্টারভিউ পর্যন্ত একটি সুশৃঙ্খল পরিকল্পনা তৈরি করেন। এসময়ে তিনি ব্যক্তিগত জীবনে সম্পর্কের ভাঙন ও সামাজিক কটূক্তিরও সম্মুখীন হন। তবে হাল ছেড়ে না দিয়ে, তিনি তার ভেতরের সেই ‘বিদ্রোহী’ সত্তাকেই জাগিয়ে তোলেন এবং ইউপিএসসি-তে সফল হওয়ার জন্য তার প্রচেষ্টা চালিয়ে যান।

আরও পড়ুন: UPSC-তে তিনবার ব্যর্থ, মোটা মাইনের চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু, এখন বছরে ২০০ কোটি লক্ষ্য আদিত্যের

শেষ চেষ্টায়, দেব চাকরি করার পাশাপাশি ইউপিএসসি পরীক্ষা দেন। অবশেষে, তাঁর কঠোর পরিশ্রমের ফল মেলে এবং তিনি সর্বভারতীয় স্তরে ৬২৯তম র‍্যাঙ্ক অর্জন করে আইআরটিএস (Indian Railways Traffic Service) অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হন, যা তাঁর দেশসেবার স্বপ্নকে পূরণ করে। প্রতিকূল পরিস্থিতি ও তাঁর দাদুর কুখ্যাত বাগি পরিচিতির কালো দাগ থাকা সত্ত্বেও তিনি নিজের যোগ্যতায় সম্মান অর্জন করে নেন। তাঁর এই সাফল্যের কাহিনীটি শেখায় ধৈর্য, সুচিন্তিত কৌশল, ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস ও স্বপ্ন পূরণের দৃঢ় সংকল্প থাকলে চম্বলের অন্ধকার জঙ্গল থেকেও আলোর দীপ্তি ছড়ানো যায়।

Leave a Comment