=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

“মেট্রো স্টেশনটাই তার ক্লাসরুম”, বইয়ে মুখ গুঁজে ছোট্ট আব্দুল স্বপ্ন দেখে শিক্ষক হওয়ার

অনন্যা সরকার, কলকাতা: যতীন দাস পার্ক মেট্রো স্টেশনটি (Jatin Das Park Metro Station) সাধারণত কর্মব্যস্ত যাত্রী, স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী এবং গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছুটে চলা মানুষের কোলাহলে মুখর থাকে। তবে এসব কিছুকে ভ্রুক্ষেপই করে না ১ নম্বর গেটের কাছে বসে থাকা ছেলেটা। সে তার পড়াশোনায় একভাবে মগ্ন থাকে। চারপাশে কোলাহল, রাস্তা দিয়ে ক্রমাগত চলতে থাকা উচ্চস্বরের গাড়ির হর্ন সত্ত্বেও সামনে পাঠ্যবই ও খাতা ছড়িয়ে ৮ বছরের আব্দুল লস্কর (Abdul Laskar) গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে যায় (Inspirational Story)।

মেট্রো স্টেশনই তার ক্লাসরুম

আব্দুল থাকে বারুইপুরে। তার বাবা মেট্রো স্টেশনের কাছে রাস্তার ধারে একটি ছোট খাবারের দোকান চালান, যেখানে নিত্যদিন চা, পাউরুটি, এগ টোস্ট এবং ঘুগনির মতো জলখাবার বিক্রি হয়। বাড়িতে পড়াশোনার জন্য আলাদা কোনো ঘর না থাকায়, সুযোগ পেলেই আব্দুল মেট্রো স্টেশনের গেটের কাছে বসে পড়াশোনা করে। এই স্টেশনটি আশুতোষ কলেজের কাছে, নিত্যদিন কলেজ পড়ুয়াদের যাতায়াত দেখে সে অনুপ্রাণিত হয়। আব্দুল চায় বড় হয়ে শিক্ষক হতে। নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি, শিশুদের পড়াতেও সে আগ্রহী। কলেজের গেট দিয়ে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করতে দেখে সে মনে মনে নিজেকেও কোনো এক শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক হিসেবে কল্পনা করে।

আব্দুলের বাবাও ছেলের পড়াশোনা নিয়ে খুবই আশাবাদী। নিজে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পাননি, তাই তিনি চান না যে আব্দুল দোকানের কাজে সময় কাটাক, বরং তিনি আব্দুলকে পড়াশোনা করতে উৎসাহিত করেন এবং তার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেন। অভাব অনটন থাকা সত্ত্বেও তিনি চান আব্দুল ক্যারাটেও শিখুক।

আরও পড়ুন: দাড়ি কেটে পুলিশের চোখে ধুলো! দুবাই পালানোর আগেই দিল্লি থেকে গ্রেফতার বর্ধমানের ‘ভুয়ো’ চিকিৎসক

দীর্ঘ সময় ধরে আব্দুলের বাবা দোকানে কাজ করেন আর আব্দুল কাছেই মেট্রো স্টেশন চত্বরে বসে থাকে তার বইপত্র নিয়ে – একজন পরিবারের হাল ধরে আছেন, আর অন্যজন স্বপ্ন পূরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আপাতত মেট্রো স্টেশনই আব্দুলের শ্রেণিকক্ষ হয়ে উঠেছে, তবে ভবিষ্যতে সত্যিকারের শ্রেণিকক্ষে দাঁড়িয়ে শিক্ষাদান করাটাই তার চূড়ান্ত লক্ষ্য। পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন থেকে ওই ৮ বছরের ছেলেটা পিছু হটতে নারাজ।

Leave a Comment