=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

NEET পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েও ছাড়েনি হাল, ২০ বছর বয়সেই ৭২ লাখের চাকরি পেলেন ঋতুপর্ণা

অনন্যা সরকার, কর্ণাটক: প্রত্যেক বছর লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে নিট (NEET) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। কেউ কেউ তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম নয়, আবার আরও কাছে স্বপ্ন থেকে যায় অধরাই। এরকম পরিস্থিতিতে অনেকেই হতাশ হয়ে পড়ে। জীবনে কোন পথে এগোলে সাফল্য আসবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। কিন্তু কর্ণাটকের ঋতুপর্ণার সাফল্যের গল্পটি প্রমাণ করে যে, স্বপ্ন পূরণ না হলেও জীবন থেমে থাকে না (Success Story of Rithuparna K.S.)। এমবিবিএস (MBBS)-এর আসন পেতে ব্যর্থ হলেও তিনি হাল ছাড়েননি। নতুন কিছু শেখার সিদ্ধান্ত নেন এবং আজ মাত্র ২০ বছর বয়সে তিনি বার্ষিক ৭২.৩ লক্ষ টাকার প্যাকেজের সাথে রোলস-রয়েসের মতো একটি বড় লাক্সারি কোম্পানিতে কাজ করছেন। 

ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায় ঋতুপর্ণার

ছোটবেলা থেকেই ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা ছিল ঋতুপর্ণার। তিনি নিট (NEET)-এর জন্য প্রস্তুতিও নেন, কিন্তু সরকারি কলেজে এমবিবিএস পড়ার সুযোগ পাননি। এটি তাঁর জীবনে একটি বড় ধাক্কা ছিল। তবে, হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দেননি তিনি। দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন যে, ডাক্তার হতে না পারলেও, নিজের নাম কোনোভাবে প্রতিষ্ঠা তিনি করবেনই।

ঋতুপর্ণা মেকাট্রনিক্স, রোবোটিক্স এবং অটোমেশন নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি নতুন জিনিস শেখার দিকেও মনোযোগ দেন। কলেজে থাকাকালীন তিনি সুপারি চাষিদের সাহায্য করার জন্য একটি অভিনব রোবটও তৈরি করেছিলেন। এটি তার কঠোর পরিশ্রম ও শেখার প্রতি নিষ্ঠার সুস্পষ্ট প্রমাণ। পড়াশোনা চলাকালীন ঋতুপর্ণা বেশ কয়েকটি রোবোটিক্স প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ভালো ফল করেন এবং বিভিন্ন প্রকল্পেও কাজ করেন। এই অভিজ্ঞতা পরবর্তীকালে খুব কাজে লেগেছিল। ধীরে ধীরে তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়তে থাকে এবং তিনি আরও বড় সুযোগ পেতে শুরু করেন।

আরও পড়ুন: সেনায় চাকরির সুযোগ ছেড়ে শুরু কৃষিকাজ, বছরে ৭৫ হাজার কেজি পেঁপে ফলাচ্ছেন হুগলির কৃষক

কলেজে পড়ার সময় ঋতুপর্ণা রোলস-রয়েস কোম্পানিতে একটি ইন্টার্নশিপের সুযোগ পান। পড়াশোনা ও কাজ একসাথে সামলানো সহজ ছিল না, কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। কোম্পানি তার কাজের প্রশংসা করে ও তাকে প্রাথমিকভাবে ৩৯.৬ লক্ষ টাকা বেতনের প্রস্তাব দেয়। পরে, তার কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ এই বেতন বাড়িয়ে ৭২.৩ লক্ষ টাকা করা হয়। ঋতুপর্ণা ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে রোলস-রয়েসে রোবোটিক্স সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন।

Leave a Comment