=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ভারতকে ঘিরে নতুন ছক? চিনে প্রশিক্ষণ নিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ সেনার ৩ আধিকারিক

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতকে ঘিরে এবার নতুন সমীকরণ? ক্রমশ চিনের সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে কাছের প্রতিবেশী বাংলাদেশের (Bangladesh)। সম্প্রতি ওপার বাংলার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চিন (China) সফর করে আসার পর এবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের তিন আধিকারিককে প্রশিক্ষণ দিতে চলেছে ড্রাগনের দেশ। সেই মর্মে, শি জিনপিংয়ের দেশে যাচ্ছেন তাঁরা। দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতার অঙ্গ হিসেবেই ওই তিন সেনা আধিকারিককে চিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা। যদিও প্রশিক্ষণে সরাসরি অংশ নেবেন দুজন। একজনকে রাখা হয়েছে রিজার্ভ বেঞ্চে।

ভারতের বিরুদ্ধে নতুন ছক কষছে বাংলাদেশ?

নর্থইস্ট নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, 27 সেপ্টেম্বর থেকে আগামী পহেলা অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ চলবে চিনে। এই বিশেষ প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য, বাংলাদেশের সেনাবাহিনী তথা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর দুই আধিকারিককে মূলত ডিজিটাল মোবাইল রেডিও বা DMR প্রযুক্তি এবং VHF ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচয় করানো। সাধারণত এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় নির্দিষ্ট স্টেশন থেকে নিরাপদ এবং কার্যকর যোগাযোগের জন্য।

জানা যাচ্ছে, চিনের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ পাওয়ার জন্য যোগ্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রামু সেক্টর হেডকোয়ার্টারের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল ও সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ আনোয়ার উল আলম এবং 49 BGB-র যশোর ব্যাটালিয়নের ডিরেক্টর ও কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান। এছাড়া তৃতীয় যেই আধিকারিককে রিজার্ভ বেঞ্চে রাখা হয়েছে তিনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোহিউস সুন্নাহ।

তবে ঠিক কোন চুক্তির অধীনে বাংলাদেশের সেনা আধিকারিকদের চিনের তরফে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে তা স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ চলাকালীন সেখানে ঠিক কোন কোন প্রযুক্তিগত বিষয় থাকবে তাও জানানো হয়নি বাংলাদেশ বা চিনের তরফে। এছাড়াও এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাংলাদেশ এবং চিনের কোনও দীপাক্ষিক নিরাপত্তা উদ্যোগ বা নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ কিনা সেটাও জানা যায়নি। এক কথায়, এশিয়ার বাকিদের একপ্রকার আঁধারে রেখে চিনে প্রশিক্ষণ নিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সেনা আধিকারিকরা।

আরও পড়ুন: পুরভোটের আগে ধাক্কা খেল মমতা তৃণমূল! বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের

জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের তিন আধিকারিকের চিন সফর সহ সেখানে প্রশিক্ষণ ও থাকা খাওয়ার যাবতীয় খরচ বহন করবে ড্রাগনের দেশের আয়োজক সংস্থা। তবে ঠিক কোন সংস্থা এই প্রশিক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে তা জানা যায়নি। রিপোর্ট বলছে, চিনে প্রশিক্ষণ পর্ব শেষ করে বাংলাদেশে ফিরলে 15 দিনের মধ্যে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সিনিয়র সচিবের কাছে এ নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে সেনা আধিকারিকদের। তবে হঠাৎ চিন এবং বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সখ্যতা ও ওপার বাংলার BGB আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়টি ভারতের জন্য খানিকটা উদ্বেগের বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ। যদিও এ নিয়ে নয়া দিল্লির তরফে মেলেনি প্রতিক্রিয়া।

Leave a Comment