=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

শৌচাগারের অজুহাতে হোল্ডিং সেন্টার থেকে চম্পট, স্নিফার ডগের দৌলতে জলপাইগুড়িতে আটক রোহিঙ্গা

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্নিফার ডগের সাহায্যে ধরা পড়লেন রোহিঙ্গা যুবক। রবিবার সকালে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। রোহিঙ্গা সন্দেহে তাঁকে আটক করে ওই হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছিল।

দেওয়াল টপকে পালান যুবক

পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে হোল্ডিং সেন্টার থেকে বেরিয়েছিলেন সোলেমান। সেই সুযোগেই নিরাপত্তারক্ষীদের নজর এড়িয়ে কেন্দ্রের দেওয়াল টপকে বাইরে চলে যান তিনি। এরপর ঝোপঝাড়ের মধ্য দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। বিষয়টি নজরে আসতেই হোল্ডিং সেন্টার চত্বরে তল্লাশি শুরু হয়। খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানাতেও। পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালালেও প্রথমে ওই যুবকের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে পলাতক যুবককে খুঁজে বের করতে বন দফতরের সাহায্য চাওয়া হয়।

মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের প্রশিক্ষিত কুকুর ‘অরল্যান্ডো’কে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। গরুমারা জাতীয় উদ্যানে নজরদারি ও তল্লাশি অভিযানে অভ্যস্ত এই প্রশিক্ষিত কুকুরটি সোলেমানের পরনের পোশাকের গন্ধ অনুসরণ করে পুলিশকর্মীদের নিয়ে এগিয়ে যায়। হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা-বাগানে গিয়ে থামে অরল্যান্ডো। এরপর ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকেই সোলেমানকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি এলাকা থেকে চার জনকে আটক করে হোল্ডিং সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সোলেমান, যাঁকে পুলিশ মায়ানমারের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে। জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের জেলা সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানিয়েছেন, মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধেই প্রশিক্ষিত কুকুর পাঠানো হয়েছিল। অরল্যান্ডো সফলভাবে হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালিয়ে যাওয়া যুবকের সন্ধান দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন: সাধু-সন্তদের অপমান করলেই জেল, কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

বন দফতরের এই প্রশিক্ষিত কুকুরটি মূলত গরুমারা জাতীয় উদ্যানে নজরদারি এবং তল্লাশি অভিযানে ব্যবহার করা হয়। এর আগে একাধিক অভিযানে চোরাশিকারিদের সন্ধান পেতে অরল্যান্ডোর ঘ্রাণশক্তির সাহায্য নেওয়া হয়েছে। এ বার হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালিয়ে যাওয়া যুবককে খুঁজে বের করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে। এদিকে, হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নিরাপত্তারক্ষীদের নজর এড়িয়ে কী ভাবে ওই যুবক দেওয়াল টপকে বাইরে বেরিয়ে গেলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

Leave a Comment