=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

সঙ্গে রাখছিলেন আগ্নেয়াস্ত্র, বাড়ি থেকে গ্রেফতার তৃণমূলের দু’বারের বিধায়ক

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: ফের চর্চায় বনগাঁর (Bongaon) বিশ্বজিৎ দাস (Biswajit Das)। বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগে তৃণমূলের (TMC) প্রাক্তন বিধায়ককে (MLA) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে বিশ্বজিতের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকার খবর পাওয়ার পর তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। পাশাপাশি তাঁর গাড়িতেও তল্লাশি চলে। সেখান থেকেই একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগ

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, দুপুরে বিশ্বজিৎ দাসের বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানে তল্লাশির পাশাপাশি তাঁর গাড়িও পরীক্ষা করা হয়। তল্লাশিতে অস্ত্র উদ্ধারের পর বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়। বনগাঁ পুলিশ জেলার সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।

বিশ্বজিৎ দাসের রাজনৈতিক পরিচয়ও দীর্ঘদিনের। ২০১১ এবং ২০১৬ সালে তৃণমূলের টিকিটে বনগাঁ উত্তর কেন্দ্র থেকে পরপর দু’বার বিধায়ক নির্বাচিত হন তিনি। পরে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হয়ে বাগদা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। তবে বিজেপিতে বেশিদিন থাকেননি। বিধায়ক হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই তৃণমূলে ফিরে আসেন তিনি। এরপর তৃণমূল তাঁকে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেয়। ২০২৪ সাল পর্যন্ত ওই সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

এরপর ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রে লড়াই করার জন্য বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন বিশ্বজিৎ। কিন্তু সেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। পরে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ফের বনগাঁ উত্তর কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করে তৃণমূল। তবে বিজেপির অশোক কীর্তনিয়ার কাছে হেরে যান তিনি।

ভোটের ফল প্রকাশের পর তৃণমূলের সঙ্গে বিশ্বজিতের রাজনৈতিক দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। চলতি বছরের জুলাইয়ে তাঁকে রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে গিয়ে দেখা করতে দেখা যায়। সেই সাক্ষাতের সময় ঋতব্রতকে ‘আমার নেতা’ বলেও সম্বোধন করেছিলেন বিশ্বজিৎ। তাঁর গ্রেফতারির খবর সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে। হাবড়ার বিজেপি বিধায়ক দেবদাস মণ্ডলের দাবি, বিশ্বজিতকে আরও আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল। তাঁর কথায়, গ্রেফতারিতে দেরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজ্যে চালু হচ্ছে ‘সেবা সেতু অভিযান’, কোন কোন প্রকল্পের সুবিধা মিলবে জানুন

বনগাঁ পুরসভার এক প্রাক্তন কাউন্সিলরও বিশ্বজিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন এবং তাঁর গ্রেফতারিকে পূর্ণ সমর্থন জানান। তাঁর দাবি, বিধায়ক ও তৃণমূলের সাংগঠনিক জেলার সভাপতি থাকাকালীন বিশ্বজিতের বিরুদ্ধে বহু মানুষকে অত্যাচারের অভিযোগ ছিল। এলাকায় বোমা-গুলির রাজনীতির সঙ্গেও তাঁর নাম জড়িয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বজিতের গ্রেফতারির বিষয়ে তৃণমূলের তরফে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Leave a Comment