=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

‘হার্মাদ’ গোষ্ঠী, জড়িত একাধিক হত্যাকাণ্ডে! ১৭ বছর পর বীরভূমের গ্রামে ফিরল ৪০ পরিবার

অনন্যা সরকার, বীরভূম: অবশেষে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে জিতে ১৭ বছর পর নিজেদের বাস্তুভিটেতে ফিরতে পারলেন তারা। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) আদেশে ৪০টি বাস্তুহারা পরিবার বীরভূমের (Birbhum) নানুরের পাপুরি গ্রামে তাদের পৈতৃক বাড়িতে ফিরেছেন। এতদিন পর গ্রামে ফিরে পুরনো প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অনেকেই আবেগে বিহ্বল হয়ে পড়েন। তবে, এই প্রত্যাবর্তন একটি রাজনৈতিক বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছে। বাস্তুহারা পরিবারগুলো মূলত শাসক দলের প্রভাবশালী স্থানীয় নেত্রী এবং গণতান্ত্রিক তৃণমূলের বিধায়ক কাজল শেখের (Kajal Seikh) বিরুদ্ধে তারা অভিযোগ তুলেছেন। তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বিধায়ক দাবি করেছেন যে, হাইকোর্টের আদেশে যাদের গ্রামে ফিরিয়ে আনা হয়েছে তারা আসলে সিপিএম-এর ‘হার্মাদ’ গোষ্ঠী এবং একাধিক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত।

১৭ বছর কেন বাড়িছাড়া ৪০টি পরিবার?

২০০৯ সালে নানুরের পাপুরি গ্রাম সিপিএম ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে হিংসাত্মক রাজনৈতিক সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। সেই সহিংস আবহে প্রায় ৪০টি পরিবার এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। তারা অভিযোগ জানায়, ২০১১ ও ২০১৬ সালে পুলিশি সুরক্ষায় তাদের সাময়িকভাবে গ্রামে ফেরার জন্য আইনি ব্যবস্থা করা হয়েছিল, কিন্তু সেখানে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। পানীয় জলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া, স্থানীয় দোকান থেকে কেনাকাটায় বাধা দেওয়া এবং প্রায় একঘরে করে দেওয়ার কারণে তারা বারংবার ভিটেমাটি ছাড়তে বাধ্য হন।

এমনকি এও অভিযোগ রয়েছে যে, ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার সময় তাদের পাকা বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্য জেসিবি আনা হয়েছিল। আইনি লড়াইয়ের পর, ওই ৪০টি পরিবার হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের কাছ থেকে গ্রামে ফিরে আসার অনুমতিসূচক একটি আদেশ পেয়েছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর কড়া পুলিশি প্রহরায় বাস্তুহারা মানুষগুলো পাপুরি গ্রামে পা রাখলেও, সেখানকার বিধায়ক কাজল শেখ তাদের এই প্রত্যাবর্তনকে মেনে নিতে একেবারেই নারাজ।  

আরও পড়ুন: এবার ছোট ব্যবসায়ী, দোকানদাররাও পেনশন পাবেন, বড় ঘোষণা সরকারের

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে কাজল শেখ বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে যে পুলিশ তাদের গ্রামে ফিরিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানতেন না। তবে, ২০০৯ সালে সিরাজ শেখ এবং তাঁর বাবা ও দুই বড় ভাইকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় এরাই সরাসরি জড়িত ছিল। এছাড়া সদু শেখ ও লতু শেখ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাতেও তারা অভিযুক্ত। এসব অপরাধ সংঘটনের পরপরই তারা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়।

কাজল শেখ গ্রামে ফেরা ওই ব্যক্তিদের সরাসরি দুষ্কৃতী বলে দাগিয়ে দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি জোরের সাথে বলেন, সাধারণ গ্রামবাসীরা এদের কখনোই মেনে নেবে না। এদের অনেকের মাথাতেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ঝুলে আছে। তবে তিনি পুলিশের ওপর আস্থা রেখেছেন বলেই জানান। আদালতের নির্দেশে ফিরিয়ে আনা ওই ৪০টি পরিবারের সদস্যদের অতীত কার্যকলাপ ও আইনি নথিপত্র ভালোভাবে খতিয়ে দেখার জন্য  প্রশাসনের কাছে জোরালো আর্জি জানিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক কাজল শেখ। 

Leave a Comment