=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ভাঙে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন, কোচিং ছাড়াই UPSC ক্র্যাক করে IAS হলেন আয়ুশী

অনন্যা সরকার, দেশের অন্যতম কঠিন পরীক্ষাগুলির মধ্যে একটি হল, ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (UPSC) সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা। বছরের পর বছর ধরে বহু ছাত্রছাত্রী নামকরা কোচিং ইনস্টিটিউটে মোটা টাকা ফি দিয়ে প্রস্তুতি নেয় ইউপিএসসি ক্র্যাক করার আশায়। কিন্তু তাও সাফল্য সবার ভাগ্যে থাকে না। আবার কিছু মানুষ অধ্যবসায়ের জোরে পৌঁছে যায় সাফল্যের শিখরে। যেমনটা করে দেখিয়েছেন ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার বারিপাড়ার বাসিন্দা আয়ুশী প্রধান (UPSC Success Story of IAS Ayushi Pradhan)। কোনও কোচিং ইনস্টিটিউটের সাহায্য ছাড়াই, শুধুমাত্র দৃঢ় সংকল্প, নিষ্ঠা ও স্ব-অধ্যয়নের ওপর ভিত্তি করে ইউপিএসসি-তে সর্বভারতীয় র‍্যাঙ্ক ৩৬ (AIR 36) অর্জন করে নেন। আসুন তাঁর এই সাফল্যের কাহিনীটি বিশদে জেনে নেওয়া যাক। 

NEET-এ ব্যর্থতা থেকে UPSC-তে সাফল্য

সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা আয়ুশী ভুবনেশ্বরে তার প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। দ্বাদশ শ্রেণি শেষ করার পর তিনি ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার জন্যে নিট (NEET) পরীক্ষায় বসেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। তবে ব্যর্থতায় হতাশ না হয়ে তিনি ক্যারিয়ার পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নেন এবং কম্পিউটার সায়েন্সে বি.টেক ও পরে এমবিএ (MBA) ডিগ্রি অর্জন করেন।

এমবিএ শেষ করার পর তিনি একটি স্বনামধন্য বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি পান। কিন্তু, এনজিওর কাজে মায়ের সঙ্গে একটি গ্রামে গিয়ে গ্রামীণ এলাকার সমস্যাগুলো প্রত্যক্ষ করার পর তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। তিনি উপলব্ধি করেন যে, সমাজের একদম নিম্নস্তরে পরিবর্তন আনতে চাইলে সবচেয়ে ভালো উপায় হল সরকারি চাকরিতে যোগদান করা। এরপর তিনি কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে দিয়ে ইউপিএসসি-র জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন।

আরও পড়ুন: ছোটবেলা থেকেই দৃষ্টিশক্তি ক্ষীন, তবুও না হেরে দু’বার UPSC ক্র্যাক অটোচালকের ছেলের

এমবিএ সম্পন্ন করার পর তিনি একটি স্বনামধন্য বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি পান। কিন্তু, এনজিওর কাজে মায়ের সঙ্গে একটি গ্রামে গিয়ে গ্রামীণ এলাকার সমস্যাগুলো প্রত্যক্ষ করার পর তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। তিনি উপলব্ধি করেন যে, সমাজে তৃণমূল পর্যায়ে পরিবর্তন আনার সর্বোত্তম উপায় হলো সরকারি চাকরিতে যোগদান করা। এরপর তিনি কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে দিয়ে ইউপিএসসি-র জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন।

আয়ুশী কোনো নামকরা কোচিং সেন্টারে ভর্তি হননি। তিনি নিজে থেকেই সিলেবাস বুঝে স্ব-অধ্যয়নের পথ বেছে নেন। মানসম্মত বই, ইন্টারনেট ও মক টেস্টের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে নিজে নিজেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। আয়ুশী প্রথম চেষ্টাতেই প্রিলিমস এবং মেইনস পাস করেন, কিন্তু মাত্র ১৩ নম্বরের জন্য ইন্টারভিউতে সুযোগ পাননি। এতে হাল ছেড়ে না দিয়ে দ্বিগুণ উদ্যমে আবার প্রস্তুতি শুরু করেন।  দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় সর্বভারতীয় র‍্যাঙ্ক ৩৩৪ অর্জন করে ইন্ডিয়ান ডিফেন্স এস্টেটস সার্ভিস(IDES)-এ স্থান করে নেন। আইডিইএস সার্ভিসে থাকাকালীন তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন, কারণ তাঁর লক্ষ্য ছিল ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস (IAS)। 

আরও পড়ুন: মা রাঁধুনি, বাবা ইটভাটায় শ্রমিক, মাত্র ২২ বছর বয়সে UPSC ক্র্যাক করে IPS হলেন ছেলে

২০২৩ সালে তৃতীয় প্রচেষ্টায় সর্বভারতীয় র‍্যাঙ্ক ৩৬ (AIR 36) অর্জন করে আইএএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করেন আয়ুশী প্রধান। মাত্র ২৬ বছর বয়সে আয়ুশী প্রধান দুবার কঠিনতর ইউপিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেন। তাঁর এই সাফল্য দেখায় যে, ব্যর্থতা কেবল চলার রাস্তা, গন্তব্য নয়। সঠিক দিকনির্দেশনা, শৃঙ্খলা এবং অটল আত্মবিশ্বাস থাকলে, সব বাধা পেরিয়ে যেকোনো বড় লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।

Leave a Comment