=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

‘হারবে’ বলেছিল মোহনবাগান ভক্তরা, নর্থইস্টকে ৭ গোলে ভাসিয়ে শিল্ড ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: IFA শিল্ডের ফাইনাল যে ডার্বি হতে পারে সেটা বোঝা গিয়েছিল আগেই। মোহনবাগান (Mohun Bagan) সেমিফাইনাল জেতার পরই হাইভোল্টেজ ম্যাচ নিয়ে একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলেন ভক্তরা। সোমবার, ডার্বির সম্ভাবনাকে সত্যি করতে নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)। সেই আসরে প্রতিপক্ষকে 7 গোলে ভাসিয়ে দিল লাল হলুদ। সবচেয়ে বড় কথা, এদিনের ম্যাচে প্রথমে গোল হজম করতে হয়েছে আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দলকে।

বাগান ভক্তদের কটাক্ষকে উড়িয়েই ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

গত ম্যাচে জয় হাসিল করে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল মোহনবাগান। আর তারপর থেকেই সবুজ মেরুন ভক্তদের একটা বড় অংশ ইস্টবেঙ্গলকে কটাক্ষ করেই বলেছিলেন, নর্থ ইস্টের সামনে টিকতে পারবে না লাল হলুদ। তবে সেই সব কটাক্ষকে ম্যাচের ফলাফল দিয়ে উড়িয়ে দিল লাল হলুদ। এদিন, দুই দল মাঠে নামার পর পরিস্থিতিও হয়েছিল তেমন। তবে প্রতিপক্ষের দুর্গ ভেঙে খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো কামব্যাক করে মশাল ব্রিগেড। সেই রাস্তাটা প্রশস্ত করেছেন ডেভিড।

বলাই বাহুল্য, ম্যাচ শুরু হওয়ার 2 মিনিটের মধ্যেই প্রথম গোল করে এগিয়ে যায় নর্থইস্ট। যদিও 11 মিনিটের মাথায় প্রতিপক্ষকে গোল খাইয়ে সমতায় ফেরে ইস্টবেঙ্গল। পরবর্তীতে নর্থ ইস্ট সুযোগ তৈরি করলেও 23 মিনিটের মাথায় দ্বিতীয় গোল করে এগিয়ে যায় লাল হলুদ। প্রথমার্ধে আর গোল না হলেও পরবর্তী 45 মিনিটের খেলায় মাঠে ফিরে এসেই তিন নম্বর গোল করে ইস্টবেঙ্গল। এরপর খেলা যখন 56 মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন ডেভিড।

আরও পড়ুন: তিন বছর রাজ্যে খোলা যাবে না নতুন মদের দোকান, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

ডেভিডের হ্যাটট্রিকের পরই নতুন বিদেশি নামিয়েছিলেন হাবাস। অন্যদিকে একের পর এক গোল খেয়ে বিধ্বস্ত হয়ে পাল্টা দেওয়ার চেষ্টা করে নর্থইস্ট। 83 মিনিটে গিয়ে আজারেই ফের আরেকটি গোল করে ইস্টবেঙ্গলের প্রতিপক্ষের ব্যবধান কিছুটা কমান। কিন্তু তাহলেও এরপর আর নর্থইস্টের ছেলেদের সুযোগ দেননি রোহিত, ক্রিস, একে লুকাসরা। একের পর এক গোল করে প্রতিপক্ষকে 7 গোল খাওয়ায় তারা। আর সেই সূত্র ধরেই 7-2 ব্যবধানে জিতে শিল্ডের ফাইনালে মোহনবাগানকে চ্যালেঞ্জ করতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল।

Leave a Comment