=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

‘Application Rejected’ মানেই বাতিল নয়! অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে বড় বার্তা

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গতকাল থেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) প্রকল্প নিয়ে মহিলাদের মধ্যে উদ্বেগ যেন আরও বেড়েছে। তার একটাই কারণ, আবেদন রিজেক্ট হয়ে যাওয়া। বেশিরভাগ মহিলারই গতকাল থেকে ‘অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্টেড’ স্ট্যাটাস শো করছে। অথচ, যে সমস্ত মহিলারা যোগ্য নন তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩০০০ টাকা করে অ্যাকাউন্টে পেয়ে গিয়েছেন। আর যারা প্রকৃত যোগ্য, অর্থাৎ নিম্নবিত্ত সীমার মধ্যে বসবাস করে তাদের ফর্ম রিজেক্ট হয়ে যাচ্ছে। আদৌ কি এই সমস্ত মহিলারা টাকা পাবেন না? আর কী কারণেই বা রিজেক্ট হচ্ছে?

কেন বাতিল হচ্ছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই বলেছিলেন, জুন মাসে যারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের কিস্তি পাননি তারা জুলাই মাসের ১ তারিখেই ৩০০০ টাকা করে অ্যাকাউন্টে পাবেন। কথা মতোই হয়েছে কাজ। মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট ১ কোটি ৬০ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছিল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে। তবে তার মধ্যে ঝাড়াই-বাছাই করে মোট ২৮ লক্ষ আবেদন বাদ দেওয়া হয়। পাশাপাশি মোট ১ কোটি ৯ লক্ষের বেশি কিছু মহিলা জুলাই মাসের ১ তারিখ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পেয়েছেন, এবং বাকি প্রায় ৩০ লক্ষ আবেদন বিবেচনাধীন অবস্থায় রাখা হয়েছিল। তাদের তথ্য যাচাই করে পুনরায় পোর্টালে তোলা হবে বলেই জানান মুখ্যমন্ত্রী।

যদিও এতদিন পর্যন্ত আবেদনের স্ট্যাটাস দেখা যাচ্ছিল না। কিন্তু গতকাল সন্ধ্যাবেলা থেকেই সোশ্যাল রেজিস্ট্রির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গেলে আবেদনের স্ট্যাটাস শো করছে। তবে সেখানে বেশিরভাগ মহিলার অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্টটেড দেখাচ্ছে। আবার বেশ কিছু মহিলার পেমেন্ট ফেইলিওর অপশনও দেখাচ্ছে। অর্থাৎ তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ডিবিটি লিঙ্ক নেই। কিন্তু যাদের আবেদন বাতিল হয়ে যাচ্ছে তাদের কী করনীয়? কেনই বা যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও আবেদন বাতিল হচ্ছে? জানালেন হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম পাল।

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এদিন অসীম সরকার জানিয়েছেন, “গতকাল থেকেই মহিলাদের মধ্যে অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্ট হওয়া নিয়ে উদ্বেগ তুঙ্গে উঠেছে। যারা অযোগ্য, দোতলা পাকা বাড়ি রয়েছে, চার চাকার গাড়ি রয়েছে, ইনকাম ট্যাক্স দেন, তারাও পেয়েছেন ৩০০০ টাকা। অথচ যারা প্রকৃত যোগ্য বা দরিদ্র সীমার নিচে বসবাস করেন তাদের অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্টটেড দেখাচ্ছে। আসলে এটা সরকারের গাফিলতি নয়। এলাকার পৌরসভা বা বিডিও অফিসগুলিতে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের বেশ কিছু চটি চাটা আধিকারিক রয়েছেন। তারা বেছে বেছে তৃণমূলের মহিলাদের আবেদনগুলি ভেরিফাই করছে, আর বাকিদেরটা রিজেক্ট করে দিচ্ছে। তবে যেহেতু আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষমতায় আসলেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। তাই সেই প্রতিশ্রুতি তাড়াতাড়ি রক্ষা করার জন্যই তৎপর হয়েছে রাজ্য সরকার।”

আরও পড়ুন: ঢুকছে না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা! ফর্ম যাচাইয়ে গাফিলতি? শোকজ ৩২ কর্মী

বিধায়কের আরও সংযোজন, “চিন্তার কোনও কারণ নেই। অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্ট হওয়া মানেই বাদ পড়া নয়। মুখ্য সচিব স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, প্রত্যেক যোগ্য উপভোক্তা এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধা পাবেন। তাই আপনার এলাকায় কারা অযোগ্য হয়েও সুবিধা পাচ্ছেন তার একটি লিস্ট তৈরি করুন, এবং তারা যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও নাম বাদ পড়েছে তাদের একটি লিস্ট তৈরি করুন। সেই লিস্ট নিয়েই পৌরসভা বা বিডিও অফিসে আন্দোলনে নামুন। আমি আমার বিধানসভা দেখছি।” অর্থাৎ তাঁর কথা থেকে স্পষ্ট, রাজনৈতিক দ্বিচারিতা করেই যোগ্য মহিলাদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার থেকে। কিন্তু তিনি আশাবাদী, রাজ্য সরকার খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যার সমাধান করবে।

Leave a Comment