=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

স্মার্ট মিটারে ১০০০ টাকা ভরলে পুরোটাই বিদ্যুৎ পাবেন না! জানুন কেন

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এখন স্মার্ট মিটারের (Smart Meter) যুগ। বাংলাতেও শুরু হয়েছে পরিষেবা। তবে এই নতুন বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তির শেষ নেই। আজকের ডিজিটাল যুগে, বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য স্মার্ট মিটার একটি নতুন ও আধুনিক প্রযুক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই মিটারগুলো প্রচলিত বিদ্যুৎ মিটারের জায়গা নিচ্ছে এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারকে আরও নির্ভুল, স্বচ্ছ ও স্মার্ট করে তুলছে। এর মানে হলো, আপনাকে আর আপনার বিদ্যুৎ বিলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না, যা সরাসরি আপনার মোবাইলে টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে পাঠানো হবে এবং আপনি সরাসরি স্মার্ট মিটার অ্যাপের মাধ্যমে আপনার রিয়েল-টাইম বিদ্যুৎ ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। যদিও এখন এই রিচার্জ প্রক্রিয়া এবং বিদ্যুতের বিষয় নিয়ে শুরু হয়েছে বিভ্রান্তি।

বাংলায় স্মার্ট মিটার নিয়ে বিভ্রান্তি

অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, স্মার্ট মিটার চালুর পর রিচার্জের টাকা আগের তুলনায় অনেক দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। এর অন্যতম কারণ হল, রিচার্জ করা পুরো অর্থ শুধুমাত্র বিদ্যুৎ ইউনিট ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ থাকে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে সেই ব্যালেন্স থেকে বিভিন্ন অনুমোদিত চার্জও সমন্বয় করা হয়। ফলে ৫০০, ১০০০ বা ২০০০ টাকা রিচার্জ করলেও পুরো টাকাটা শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য উপলব্ধ নাও থাকতে পারে। তাই রিচার্জের পর কম ব্যালেন্স দেখে অনেক গ্রাহক অবাক হয়ে যান।

স্মার্ট মিটারের ব্যালেন্স থেকে যেসব খাতে টাকা কাটা হতে পারে, তার মধ্যে অন্যতম হল ফিক্সড চার্জ। অধিকাংশ বিদ্যুৎ সংস্থার ট্যারিফ অনুযায়ী সংযোগ বজায় রাখার জন্য একটি নির্দিষ্ট চার্জ ধার্য থাকে। গ্রাহক বিদ্যুৎ ব্যবহার করুন বা না করুন, এই চার্জ প্রযোজ্য হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে তা ব্যালেন্স থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করা হয়।

এছাড়াও, যদি কোনও গ্রাহকের পুরনো বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া থেকে থাকে, তাহলে সেই অর্থও নতুন রিচার্জের ব্যালেন্স থেকে কেটে নেওয়া হতে পারে। ফলে রিচার্জ করার পর প্রত্যাশার তুলনায় কম ব্যালেন্স দেখা যেতে পারে। সবচেয়ে বড় খরচ অবশ্যই বিদ্যুৎ ব্যবহারের চার্জ।

কীভাবে ব্যালেন্স কমবে?

বাড়িতে যত বেশি ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হবে, তত দ্রুত ব্যালেন্স কমবে। বিশেষ করে এসি, গিজার, ইন্ডাকশন কুকার, মাইক্রোওয়েভ, জল তোলার পাম্প এবং একাধিক ফ্যান দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলে খরচ দ্রুত বেড়ে যায়।

এর পাশাপাশি, তৃতীয় পক্ষের মোবাইল অ্যাপ বা পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রিচার্জ করলে অনেক সময় অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ বা কনভিনিয়েন্স ফি দিতে হতে পারে। যদিও এই অর্থ সরাসরি বিদ্যুৎ সংস্থার কাছে যায় না, তবুও গ্রাহকের মোট ব্যয় বাড়িয়ে দেয়।

আর পড়ুনঃ অন্নপূর্ণা চালু হলেও সরকারি ওয়েবসাইটে মিলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম, শুনে যা জানালেন মন্ত্রী

তাই স্মার্ট প্রিপেড মিটার ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নিয়মিত বিদ্যুৎ ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করা, রিচার্জের হিসাব খতিয়ে দেখা এবং কোন খাতে কত টাকা কাটা হচ্ছে তা বুঝে নেওয়া। সচেতনভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে যেমন খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, তেমনি অপ্রত্যাশিতভাবে ব্যালেন্স শেষ হয়ে যাওয়ার সমস্যাও অনেকটাই এড়ানো যাবে।

টাকা কোথায় যাচ্ছে বুঝবেন কীভাবে?

বর্তমানে বেশিরভাগ স্মার্ট মিটারের সঙ্গে মোবাইল অ্যাপ বা অনলাইন পোর্টালের সুবিধা যুক্ত রয়েছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা সহজেই দৈনিক বিদ্যুৎ ব্যবহার, অবশিষ্ট ব্যালেন্স, রিচার্জের ইতিহাস এবং খরচের বিস্তারিত তথ্য রিয়েল-টাইমে দেখতে পারেন।

Leave a Comment