৪০ বছরের সম্পর্কে ইতি, তৃণমূল ছাড়লেন রাজ্যের দু’বারের মন্ত্রী

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ছাব্বিশের নির্বাচনে পরাজয়ের পরই একে একে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) ছাড়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পুরনো দিনের সঙ্গীরা। সেই তালিকায় নাম উঠেছে খোদ অনুব্রত মণ্ডল থেকে শুরু করে মদন মিত্রর। এবার তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যাবিনেটের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা সপ্তগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক তপন দাশগুপ্তর। দীর্ঘ 40 বছরের সম্পর্কে দাড়ি টেনে জোড়া ফুল শিবির ছাড়ার কথা জানিয়ে দিয়েছেন তিনি!

আরও বড় ধাক্কা খেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!

দলের বেহাল দশার পর থেকেই প্রথমেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছাড়েন 20 জনের বেশি বিদ্রোহী সাংসদ। প্রত্যেকেই যোগ দিয়েছেন বিজেপির সমর্থনকারী দল NCPI তে। অন্যদিকে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হওয়ার পর 60 এর বেশি বিধায়ক চলে গিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। সদ্য মমতার কালীঘাট তৃণমূল ছেড়েছেন কঠিন সময়ের সঙ্গী মদন মিত্র। তাছাড়াও অনুব্রত মণ্ডল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকরাও মমতার সঙ্গ ছেড়ে বিজেপির গুণগান শুরু করে দিয়েছেন! ঠিক সেই পর্বে আরও বড় ধাক্কা খেলেন মমতা!

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আর তৃণমূল কংগ্রেসে থাকতে চাইছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তিনবারের বিধায়ক সহ তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব ও ফুরফুরা ডেভলপমেন্ট অথরিটি,পশুপালন দপ্তর,ফরেস্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা তপন দাশগুপ্ত। ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, নিজের মতো করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া দায়িত্ব পালন করেছিলেন তপন। কিন্তু তা সত্বেও বিভিধানসভা নির্বাচনের টিকিট পাননি তিনি। সেই অভিমানটা ছিল প্রথম থেকেই।

অবশ্যই পড়ুন: সিন্ধু চুক্তি নিয়ে সালিশি আদালতে ভারতের উকিলের খরচও চালাতে হচ্ছে পাকিস্তানের

জানা গিয়েছে, দলের বর্তমান দুর্দশা এবং দিন দিন তৃণমূল কংগ্রেসের অবক্ষয় দেখে আর নাকি ঘাস ফুল শিবিরে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারছেন না রাজ্যের দুইবারের মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত। তবে, দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও বিস্ফোরক মন্তব্য ওঠেনি তাঁর গলায়।

Leave a Comment